জি বাংলার দর্শকদের জন্য আচমকাই এক বড় ঘোষণা। চ্যানেলটি পরিণীতা ও জোয়ার ভাঁটার সম্প্রচার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার, ২৭ মার্চ থেকে পরিণীতা ধারাবাহিকটি রাত ৮টা থেকে ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সম্প্রচার হবে। অর্থাৎ পূর্বের ৩০ মিনিটের পরিবর্তে এবার ধারাবাহিকটি ৪৫ মিনিট দেখানো হবে। একই সঙ্গে জোয়ার ভাঁটাও ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হবে এবং এটি রাত ৯.৩০ পর্যন্ত চলবে। অন্য জনপ্রিয় ধারাবাহিক যেমন কনে দেখা আলো ও আনন্দী-এর সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
চ্যানেলটি একাধিক ধারাবাহিকের সময়সূচি নতুনভাবে সাজিয়েছে। বিকেল ৫.৩০ থেকে সাত পাকে বাঁধা শুরু হবে। এরপর ৬টায় সম্প্রচার হবে বেশ করেছি প্রেম করেছি, ৬.৩০-এ চিরদিনই তুমি যে আমার। সন্ধে ৭টা থেকে কুসুম, ৭.৩০ থেকে তারে ধরি ধরি মনে করি সম্প্রচার হবে। নতুন সময়সূচিতে রাত ৮টা থেকে পরিণীতা, ৮.৪৫-এ জোয়ার ভাঁটা, ৯.৩০-এ কনে দেখা আলো, ১০.১৫-এ আনন্দী, এবং ১১টায় দাদমণি দেখা যাবে। এই পরিবর্তনের ফলে দর্শকরা কিছুটা দেরিতে তাদের প্রিয় ধারাবাহিক দেখতে পাবেন।
জি বাংলার এই পরিবর্তনকে দর্শকরা মোটামুটি অবাক হয়ে দেখেছেন। সম্প্রতি, চ্যানেল নতুন ধারাবাহিক অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা-র প্রোমো প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাবে স্বস্তিকা ঘোষকে লিড চরিত্রে। এছাড়াও অন্ন মা চরিত্রে আছেন সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি একাই তিন মেয়েকে বড় করছেন। স্বস্তিকার বিপরীতে থাকছেন সৌম্যদীপ মুখোপাধ্যায়। এখন দেখার বিষয় এই নতুন ধারাবাহিকটি কোন সময়সূচিতে জায়গা পাবে।
টিআরপি-এর দিক থেকে পরিণীতা ও জোয়ার ভাঁটা ইতিমধ্যেই ভালো ফলাফল দেখাচ্ছে। পরিণীতা দীর্ঘ সময় ধরে চ্যানেলের শীর্ষে ছিল। গত সপ্তাহে পরশুরাম ধারাবাহিক স্লট লিডার হলেও এখনো পরিণীতা টপের মধ্যে। জোয়ার ভাঁটাও সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। চ্যানেলের এই বড়সড় পরিবর্তন টিআরপিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া এবং রেটিং দেখেই চূড়ান্ত ধারণা পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুনঃ নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ দেবাদৃতার নায়ক হচ্ছেন রাজা বিশ্বাস, নাকি প্রধান খলনায়ক? সঙ্গে থাকছেন তনুশ্রী গোস্বামীও! কোন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে?
চ্যানেলের এই পরিবর্তনকে প্রায় সবাই বিস্ময়ে দেখছেন। তবে নতুন সময়সূচিতে ধারাবাহিকগুলোর সম্প্রচার আরও দীর্ঘ হয়েছে। দর্শকরা তাদের প্রিয় সিরিয়াল দেখতে নতুন সময় অনুযায়ী অভ্যস্ত হতে হবে। আগামী সপ্তাহে এই পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হবে। দর্শকদের সঙ্গে চ্যানেলটির এই পরীক্ষা কতটা সফল হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
