জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

হঠাৎই বুকে যন্ত্র’ণা, নিঃশ্বাস নিতে পারছিলেন না দীপঙ্কর! শ্যুটিং ফ্লোরে বসেই পান ভয়ানক সেই খবর! হাসপাতালে ভর্তি স্বামী, দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত!

হঠাৎ করেই জীবনে নেমে এল এক ভয়াবহ মুহূর্ত। জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী অহনা দত্ত সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন তাঁর স্বামী দীপঙ্কর রায়ের অসুস্থতার কথা, যা মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি করে অনুরাগীদের মধ্যে। তিনি জানান, আচমকাই দীপঙ্করের বুকে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয় এবং তিনি ঠিকভাবে নিঃশ্বাসও নিতে পারছিলেন না। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে ওঠে যে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় তাঁকে। এই খবর সামনে আসতেই উদ্বেগে ভরে ওঠে তাঁদের পরিবার থেকে শুরু করে ভক্তদের মন।

ঘটনাটি ঘটে যখন অহনা শুটিং ফ্লোরে ব্যস্ত ছিলেন। সেই সময় দীপঙ্কর তাঁকে ফোন করে জানান তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে এবং তিনি শ্বাস নিতে পারছেন না। কোনওরকমে নিজেকে সামলে তিনি শ্বশুরমশাইকে সঙ্গে নিয়ে কাছাকাছি একটি হাসপাতালে পৌঁছন। সেখানে পৌঁছেই চিকিৎসকেরা দ্রুত অক্সিজেন দেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। খবর পেয়ে অহনা তড়িঘড়ি শুটিং ছেড়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন, আর সেই মুহূর্তে তাঁর মানসিক অবস্থাও ছিল ভীষণ ভেঙে পড়ার মতো।

হাসপাতালে পৌঁছে অহনা দেখেন, দীপঙ্করের শারীরিক অবস্থা বেশ জটিল হয়ে উঠেছে। চিকিৎসকেরা জানান তাঁর সুগার লেভেল হঠাৎ করেই অনেকটা বেড়ে গিয়েছে এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত তাঁকে অন্য একটি বড় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় এবং আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেই সময় পরিবার ও কাছের মানুষদের মধ্যে প্রবল দুশ্চিন্তার ছায়া নেমে আসে, কারণ যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।

কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার পর দীপঙ্কর নিজেই তাঁর সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, তাঁর মনে হচ্ছিল যে কোনও সময় তিনি কোল্যাপ্স করে যেতে পারেন। তবে ঈশ্বরের আশীর্বাদ, চিকিৎসকদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং সকলের প্রার্থনায় তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ। হাসপাতালের সেই কঠিন সময় কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে ফিরছেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে এক গভীর শিক্ষা হয়ে থাকবে বলেও জানান দীপঙ্কর।

এই কঠিন সময়ে অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায় তাঁদের অনুরাগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। যাঁরা ফোন, মেসেজ এবং প্রার্থনার মাধ্যমে তাঁদের পাশে ছিলেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে অহনা তাঁর কাজের জগতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে পরিবারের এই অভিজ্ঞতা তাঁকে ভিতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট মেয়েকে সামলে, কাজ আর পরিবারের ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি এগিয়ে চলেছেন এক নতুন মানসিক শক্তি নিয়ে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page