তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে চলা জল্পনার মাঝেই প্রকাশ্যে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। সেই নথিতে থাকা স্বাক্ষর দেখে স্পষ্ট হয়েছে, দলের কোন কোন সাংসদ বিক্ষুব্ধ শিবিরের চিঠিতে সই করেছেন। সূত্রের দাবি, বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে এই চিঠি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দফতরে জমা দেওয়া হয়েছিল।
দিল্লিতে গত কয়েকদিন ধরে একাধিক বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। কয়েকজন সাংসদ প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানালেও, অনেকেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি। আবার এমনও অভিযোগ উঠেছে, প্রকাশ্যে দলনেত্রীর প্রতি সমর্থনের কথা বললেও কিছু সাংসদের নাম ওই স্বাক্ষরিত চিঠিতে দেখা যাচ্ছে। মোট ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
চিঠিতে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, ইউসুফ পাঠান, মালা রায়, জুন মালিয়া, দীপক অধিকারী (দেব) এবং পার্থ ভৌমিক। এছাড়াও আরও কয়েকজন সাংসদের নাম ওই নথিতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই তালিকা প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে চিঠির তারিখ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছিলেন, চিঠিটি ৮ জুন জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকাশ্যে আসা নথিতে ১৮ জুনের তারিখ দেখা যাচ্ছে। ফলে চিঠিটি ঠিক কবে জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে দলের একাংশের তরফে অভিযোগ দায়েরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
আরও পড়ুনঃ “এতটা নিচে নামবে ভাবিনি, এতদিন ভুল মানুষকে সমর্থন করেছি”, “ভালোবাসার নামে প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না, নিশার পুরনো রূপটাই ফিরুক!” নিশা বদলাতে চেয়েছিল জিৎ সেই সুযোগের অপব্যবহার করল! জিতের সত্যি সামনে আসতেই, ক্ষোভে ফুঁসছেন ‘জোয়ার ভাঁটা’র দর্শকরা!
সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষরযুক্ত চিঠি স্পিকার দফতরে জমা দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, যখন তিনি দলের চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিফ হুইপ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্পিকারের কাছে আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছিল, যা পরে গ্রহণ করা হয়। ফলে দুই পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।
