জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

হলুদের শুভ ছোঁয়ার মাঝেই আবার আশার আলো নিভলো পল্লবীর! তাঁর আসল পরিচয় শুনে দূরে সরে গেল আদিত্য! তবে কি অজান্তেই এমন এক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে সে, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই? ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্বে আবেগের বি’স্ফোরণ!

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) ধীরে ধীরে জটিল হয়ে উঠছে আদিত্য ও পল্লবীর সম্পর্কের সমীকরণ। আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, অঘটন ঘটাতেই যাচ্ছিল কিন্তু ঠিক সময় আদিত্য এসে পৌঁছাতেই কমলা রক্ষা পায়। এরপর নিরাপদে কমলাকে বিয়ের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। কিন্তু সেখানে যে তার জন্য অপেক্ষা করছিল সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত সত্যি, সেটা তখনও সে জানে না। প্রথমে বিয়ে বাড়িতে ঢুকতে না চাইলেও, কমলার জোরাজুরিতেই শেষ পর্যন্ত ভেতরে যেতে বাধ্য হয় আদিত্য।

ঢুকতেই প্রথমে পল্লবীর সঙ্গে আদিত্যের প্রায় ধাক্কা লাগে, কনের বিয়ের হলুদের বাটি হাত থেকে পড়ে যাচ্ছে দেখে যেই না আদিত্য সেটা ধরতে যায়। সেই হলুদ গিয়ে কিছুটা পল্লবীর গায়েও লেগে যায়। কমলার নজর এড়ায় না আদিত্য ও পল্লবীর আচরণ। তাঁদের দেখেই তিনি বুঝে যান, দু’জনের আগে থেকেই পরিচয় রয়েছে। এরপর কমলা নিজেই গিয়ে আদিত্যকে পল্লবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েই দু’জনের মাথায় যেন বাজ পড়ে!

এদিকে আবার বিয়ের বাড়ির আদিত্যকে দেখে ফেলে তার বৌদি। আদিত্যকে দেখে তিনি অবাক হয়ে যান, কারণ আগেই আদিত্য স্পষ্ট জানিয়েছিল যে সে প্রীতির শ্বশুরবাড়ির কোনও অনুষ্ঠানে যাবে না। কিন্তু আদিত্য নিজেও জানত না যে বাড়িতে সে এসেছে, সেটাই তার বোনের শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠান! এই অদ্ভুত কাকতালীয় পরিস্থিতি গল্পে নতুন মোড় এনে দেয় এবং আদিত্যকে আরও অস্বস্তির মধ্যে ফেলে।

এরই মধ্যে কমলার শরীর খারাপ হয়ে যাওয়ায় বাড়ির আনন্দের পরিবেশ কিছুটা থমকে যায়। পল্লবীর বিয়ের তিক্ত স্মৃতি এবং পুরনো দুশ্চিন্তা আবারও তাঁকে মানসিকভাবে নাড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডাক্তার ডাকা হয়। পরে চিকিৎসক সবাইকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি এখন সুস্থ আছেন। যদিও তাঁর এই অসুস্থতার পেছনে লুকিয়ে থাকা উদ্বেগ ভবিষ্যতের গল্পে বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করছেন দর্শকরা। অন্যদিকে বিয়ের রাতেই ঘটে যায় সেই কান্ড যার ভয় ছিল দর্শকদের!

আনন্দে মেতে উঠে হাতে গোলাপ নিয়ে নাচতে লাগে আদিত্যকে। সেই সময় আচমকাই সে মুখোমুখি হয়ে যায় নিজের বোনের। সেখানে তাঁকে দেখে অবাক হয়ে যায় আদিত্য। এরপর সামনে আসে সেই সত্য, যা শুনে আদিত্য আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না। এই সম্পর্কের সমীকরণ সামনে আসতেই আদিত্যের মুখের হাসি মিলিয়ে যায়। পল্লবীর বুঝতে পারে, তাদের সম্পর্কের পথ এবার আরও জটিল হতে চলেছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page