জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এর (Kamala Nibas) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় ঝিনুক একা একা বসে মন খারাপ করতে থাকে যে বিয়ের পর বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে। তারপর কমলা এবং পরিবারের বাকিরা এসে তাকে বোঝায় যে সম্রাট অনেক সুখে রাখবে তাকে। আর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া মনে তো পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ নয়! জন্ম থেকে যারা পাশে থেকেছে আজীবন তারা পাশেই থাকবে।
কমলা দুঃখ করে বলেন তার ক্ষেত্রে এটার ব্যতিক্রম হলেও, ঝিনুকের জন্য সবাই আছে। তাছাড়া ভালোবাসা যে সবার ভাগ্যে জোটে না। এই কথা শুনে যেমন পল্লবীর স্মৃতিতে ভেসে আসে সাগরের মুখ, তেমন বাইরে দাঁড়িয়ে শুনতে থাকা রণজয়ও ঝিনুকের কথা মনে করে আবেগপ্রবণ হয়ে যায়। সে ভেতরে ঢুকতে গেলে, ঠিক সময় তার মা এসে আটকে দেন। তিনি ঝিনুকের সুখের জন্য ছেলেকে বলেন নিজের জীবনে এগিয়ে যেতে আর যেন ঝিনুকের জীবনে ঢোকার চেষ্টা সে না করে।
এরপর পিঁড়িতে চেপে বিয়ের আসরে আসে ঝিনুক, তার সঙ্গে পল্লীবিও। আদিত্য যেন এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে যায় পল্লবীর দিকে তাকিয়ে। একদিকে বিয়ে চলতে থাকে ঝিনুক ও সম্রাটের, অন্যদিকে আদিত্য অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে পল্লবীর দিকে। এমনকি সে স্বপ্নও দেখে ফেলে নিজের বিয়ের! এরপর বিয়ে শেষে হতেই যখন পরিবারের সদস্যরা ছবি তুলতে ব্যস্ত, তখন আদিত্যও তাদের সঙ্গে ছবি তোলার আর্জি জানায়। তারা রাজিও হয়ে যান।
আদিত্য মনে মনে ভগবানকে বলে, এমন একটা মিষ্টি পরিবারকে সে ভুল বুঝেছিল। তার দিদি পালিয়ে বিয়ে করেছিল, তবুও পরিবারের সবাই ঠিক মেয়ের মতো আপন করে নিয়েছে তার দিদিকে। কত সম্মান কত ভালোবাসা, একে অপরের প্রতি। আদিত্য বলে ভগবানের কাছে যে সে যেন পল্লবীকে বিয়ে করে এই বাড়ির জামাই হতে পারে, তাহলে একই রকম সম্মান আর ভালোবাসা সেও পাবে। এরপরেই আদিত্য ঠিক করে আজকেই পল্লবীর সঙ্গে কিছু ছবি তুলতে হবে।
এমন সুযোগ একবার হাতছাড়া করলে সারা জীবন পস্তাতে হবে। ক্যামেরাম্যানের সঙ্গে ফন্দি করে সে। ক্যামেরাম্যানও পল্লবীকে দেখতে পেয়ে ছবি তোলার অনুমতি চান, পল্লবী রাজি হতেই পেছন দিয়ে আদিত্য বিভিন্ন রকম ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে থাকে পল্লবীর অজান্তেই। এই সমস্ত কিছু দেখে ফেলে আদিত্য বৌদি এবং তিনি বুঝে যান আদিত্য সত্যিই প্রেমে পড়েছে তাও আবার পল্লবীর! এদিকে মিঠিকে খাওয়াতে দেখা যায় পল্লবীকে।
আরও পড়ুনঃ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় সরে যেতেই বড় ধাক্কা! চিরাচরিত বিকেলের স্লট হারিয়ে এবার রাতে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’! কেন এই সিদ্ধান্ত? দেখা যাবে কখন, দর্শক টানতে পারবে তো?
তখনই হঠাৎ করে সুপর্ণা এবং সানির আগমন ঘটে সেখানে। তারা মিঠির সঙ্গে দেখা করতে চাইলে, মিঠি আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং পল্লবীও বাধা দেয়। এতে সুপর্ণা রেগে গিয়ে অনেক কথা শোনায়, কিন্তু কিছু জবাব দিয়ে পল্লবী তাকে চলে যেতে বাধ্য করে। তবে সানি চলে যাওয়ার আগে পল্লবীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়। পর্বের শেষে দেখা যায় পল্লবীর জন্য একান্তে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের ব্যবস্থা করেছে আদিত্য। নিজের মনের কথা জানাবে বলে। কিন্তু সেখানে মিঠির আগমনে বদলে যায় পরিস্থিতি! এরপর কী হবে? উত্তর মিলবে পরবর্তী পর্বে।
