জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

সিসিটিভি ফুটেজেই মিলল বড় সূত্র! ঝিনুকের মুখ থেকেই কি ফাঁস হয়ে যাবে এতদিনের লুকিয়ে থাকা সত্যি? পল্লবীকে আটকাতে নতুন ছক কষছে সম্রাট, শেষ মুহূর্তে কী ঘটতে চলেছে? ‘কমলা নিবাস’-এর টানটান পর্ব মিস করবেন না!

জি বাংলার ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas) ধারাবাহিকের গল্পে একদিকে যেমন সম্পর্কের সুন্দর মুহূর্ত উঠে এসেছে, তেমনই অন্যদিকে রহস্যের জালও আরও ঘন হয়েছে। আজকের পর্বে দেখা যায়, পল্লবীর মঙ্গল কামনা করে আদিত্য একটি বিশেষ মানত করে, আর সেই সময় সে এমন একটি কথা বলে যা শুধু পল্লবীকেই নয়, দর্শকদেরও ভাবিয়ে তোলে। তার মতে, প্রার্থনা বা মানত শুধুমাত্র মেয়েদের দায়িত্ব নয়। ভালোবাসা যদি সত্যি হয়, তাহলে একজন ছেলেও নিজের প্রিয় মানুষের জন্য একইভাবে মানত করতে পারে। আদিত্যের এই ভাবনা তার চরিত্রকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে এবং পল্লবীর প্রতি তার অনুভূতির গভীরতাও স্পষ্ট করেছে।

অন্যদিকে শ্রীনিবাসের জীবনে বড় ধাক্কা আসে কর্মক্ষেত্রে। অফিসে গিয়ে সে জানতে পারে, আগামী মাসেই তার চাকরির চুক্তি শেষ করে দেওয়া হবে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী এখনও পাঁচ মাস চাকরি করার কথা ছিল তার। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কর্তৃপক্ষ কোনও নির্দিষ্ট কারণ জানায় না। শুধু বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত ওপর থেকে নেওয়া হয়েছে। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তে শ্রীনিবাস যেমন হতবাক, তেমনই দর্শকদের মনেও প্রশ্ন জাগছে—এর পেছনে কি শুধুই অফিসের নিয়ম, নাকি বড় কোনও ষড়যন্ত্র কাজ করছে?

এদিকে অফিস থেকে বেরোনোর সময় পল্লবীও এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তার অফিসের স্যার তাকে গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। কীভাবে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেবে, তা নিয়ে পল্লবী যখন অস্বস্তিতে পড়েছে, ঠিক তখনই আদিত্য নিজের গাড়ি নিয়ে সেখানে পৌঁছে যায়। আদিত্যকে দেখে পল্লবীর স্যারের আচরণও মুহূর্তে বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত আদিত্যর সঙ্গেই বাড়ির পথে রওনা দেয় পল্লবী। সারাদিনের ক্লান্তিতে পথ চলতে চলতেই সে আদিত্যর কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। এই দৃশ্য দু’জনের সম্পর্ককে আরও স্বাভাবিক ও আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছে।

অন্যদিকে সম্রাটের দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সে জানতে পারে, পল্লবী একটি পার্সেল নিয়ে ঝিনুকের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়ির দিকে যাচ্ছে। এই খবর পাওয়ার পরই সম্রাট বুঝতে পারে, পল্লবী যদি ঝিনুকের সঙ্গে দেখা করে, তাহলে এতদিন ধরে গোপন রাখা অনেক সত্যিই সামনে চলে আসতে পারে। তাই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে সে এমন পরিকল্পনা করতে শুরু করে, যাতে পল্লবী কোনওভাবেই ঝিনুকের কাছে পৌঁছাতে না পারে। সম্রাটের এই তৎপরতা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সে এখনও নিজের গোপন সত্যি আড়াল করতেই মরিয়া।

এখন গল্পের মোড় পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়েছে পল্লবী, আদিত্য, সম্রাট এবং ঝিনুককে ঘিরে। একদিকে আদিত্যর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, অন্যদিকে শ্রীনিবাসের চাকরি নিয়ে রহস্য, আর তার মাঝেই সম্রাটের নতুন ছক, সব মিলিয়ে ধারাবাহিকের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পল্লবী ইতিমধ্যেই আদিত্যর সঙ্গে ঝিনুকের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। এখন দেখার, সম্রাট কি সত্যিই তাদের দেখা হওয়া আটকাতে পারবে, নাকি শেষ মুহূর্তে সব পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়ে এতদিনের লুকিয়ে থাকা সত্যি সবার সামনে এসে পড়বে। আগামী পর্বে সেই উত্তর জানার অপেক্ষায় দর্শক।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page