জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“এমন সন্দেহবাজ স্বামীর চেয়ে হাজারটা শত্রু থাকা ভালো!” “এ তো সন্দেহ নয়, পুরো সিআইডি তদন্ত চলছে!” রণজয়কে পাঠানো মেসেজ ডিলিট করেও লাভ হলো না! ঝিনুকের ফোনে নজরদারি থেকে ভয়েস মেল শোনার চেষ্টা, সম্রাটের কাণ্ডে বিরক্তির সঙ্গে হাসির রোল ‘কমলা নিবাস’-এর দর্শকদের!

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এর (kamala Nibas) সাম্প্রতিক পর্বে সম্রাটের আচরণ দেখে দর্শকদের একাংশের ধৈর্যের বাঁধ যেন ভেঙে যাচ্ছে। ঝিনুকের প্রতিটি কাজের উপর যেভাবে নজর রাখছে সে, তাতে অনেকেরই মনে হচ্ছে স্বামীর এই সন্দেহপ্রবণতা এখন আর স্বাভাবিক দাম্পত্য অভিমান বা কৌতূহলের মধ্যে নেই। বরং ঝিনুককে নিয়ে সম্রাটের বাড়াবাড়ি নজরদারি ক্রমশ এমন পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে, যেখানে ব্যক্তিগত পরিসর বলেই যেন কিছু থাকছে না।

ঘটনার শুরু ঝিনুকের রণজয়কে মিস করা থেকে। রণজয়কে নিজের মনের কথা জানাতে ঝিনুক একটি ভয়েস মেল পাঠায়। তবে সম্রাটের স্বভাব সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকায় সে সঙ্গে সঙ্গেই সেটি শুধু নিজের ফোন থেকে মুছে দেয়। কিন্তু তাতেও রেহাই মেলে না। সম্রাট লুকিয়ে সেই ভয়েস মেলের বিষয়টি শুনে ফেলে এবং এরপর ঝিনুকের ফোনে কী রয়েছে, তা জানার জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠে।

এরপর সম্রাট যে কাণ্ড ঘটায়, সেটাই দর্শকদের আরও বিরক্ত করেছে। নিজের রুমাল উপরের ঘরে রয়েছে বলে ঝিনুককে সেটা আনতে পাঠিয়ে তার অনুপস্থিতিতে ফোন পরীক্ষা করতে শুরু করে সে। কিন্তু ফোনে কোনও মেসেজ না থাকায় রাগ সামলাতে না পেরে সম্রাট ফোনটাই ভেঙে ফেলে। পরে ঝিনুক যাতে কিছু বুঝতে না পারে, সেই ভাঙা ফোন এমনভাবে রেখে দেয় যেন কিছুই হয়নি। এমনকি ঝিনুক সামনে আসতেই সম্রাট নিজেই হাত লাগিয়ে ফোনটা টেবিল থেকে ফেলে দেওয়ার অভিনয় করে।

তবে এখানেই শেষ নয়। ফোনটি ঠিক করার অজুহাতে সেটিকে অফিসে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সম্রাট। আসল উদ্দেশ্য যে অন্য কিছু, সেটা দর্শকদের কাছে পরিষ্কার। ফোনের তথ্য সংগ্রহ করে ঝিনুকের পাঠানো সেই ভয়েস মেল শোনার পরিকল্পনাই করতে থাকে সে। অর্থাৎ ঝিনুক কী করছে, কাকে মেসেজ করছে বা তার ব্যক্তিগত ফোনে কী রয়েছে, সবকিছু জানার জন্য সম্রাটের এই লুকিয়ে নজরদারি এবার দর্শকদের চোখে রীতিমতো তদন্তের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।

এই কারণেই সমাজমাধ্যমে সম্রাটকে নিয়ে মজার পাশাপাশি তীব্র বিরক্তিও প্রকাশ করছেন দর্শকরা। অনেকের বক্তব্য, এমন সন্দেহবাজ স্বামীর চেয়ে হাজারটা শত্রু থাকাও ভালো! কেউ আবার সম্রাটের এই কাণ্ডকারখানাকে সিআইডি তদন্ত-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। দর্শকদের একাংশের মতে, ‘কমলা নিবাস’-এর গল্পে সম্রাটের উপস্থিতি এখন এতটাই সন্দেহ আর নজরদারিতে ভরা যে ধারাবাহিকের নাম বদলে মজা করে ‘সম্রাট নিবাস’ রাখলেও ভুল হবে না!

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page