জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

রাজুকে ফাঁসাতে ব্যাগে টাকা লুকিয়ে দিল শান্তনু, তল্লাশি করতেই ফাঁস তাঁর আসল মুখ? অন্যদিকে ঝিনুককে হাত বেঁধে রেখেই পাগলামি সম্রাটের, কমলার চোখে ধরা পড়ল শ্রীনিবাসের গোপন কাজ! ‘কমলা নিবাস’-এ আজকের পর্বে একসঙ্গে তিন ধামাকা! মিস করবেন না!

জি বাংলার ‘কমলা নিবাস’-এর (kamala Nibas) সাম্প্রতিক পর্বে একসঙ্গে একাধিক ঘটনাকে ঘিরে জমে উঠেছে গল্প। শ্রীনিবাসের জীবনে যেমন নতুন সমস্যা তৈরি হয়েছে, তেমনই ঝিনুক ও সম্রাটের সম্পর্কও পৌঁছে গিয়েছে বেশ অস্বাভাবিক এক পরিস্থিতিতে। চাকরি হারানোর পর সংসার চালানোর জন্য শ্রীনিবাসকে বাধ্য হয়ে অটো চালাতে হচ্ছে। কিন্তু স্ত্রী কমলার সামনে নিজের এই পরিস্থিতির কথা প্রকাশ করতে চাইছে না সে। তাই একদিন কমলা রাস্তায় স্বামীকে অটো চালাতে দেখে অবাক হয়ে গেলে শ্রীনিবাস তৎক্ষণাৎ অন্য গল্প শোনায়। সে জানায়, একজন অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই নাকি অন্যের অটো নিয়ে বেরিয়েছিল। স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে কমলা, ফলে আপাতত নিজের চাকরি হারানোর সত্যিটা লুকিয়ে রাখতে সফল হয় শ্রীনিবাস।

এদিকে বিপাকে পড়েছে রাজু। চুরি করা টাকা নিজের কাছে না রেখে শান্তনু কৌশলে সেটি রাজুর ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে দেয়। ফলে টাকার খোঁজ করতে গিয়ে সমর যখন রাজুর ব্যাগ তল্লাশি শুরু করে, তখন সমস্ত সন্দেহ গিয়ে পড়ে রাজুর ওপর। যে টাকা সে চুরি করেনি, সেটাই তার ব্যাগ থেকে বেরিয়ে আসায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যায়। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করার আগেই রাজুকে চুরির অভিযোগের মুখে পড়তে হয়। আর দূরে দাঁড়িয়ে পুরো পরিস্থিতি দেখেও শান্তনু নিশ্চিন্ত থাকে, কারণ তার পরিকল্পনা আপাতত সফল হয়েছে।

রাজুর ক্ষেত্রে আসল চোরকে আড়াল করার এই চাল কতদিন টিকবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। শান্তনু যে নিজের অপরাধের দায় রাজুর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে, তা দর্শকরা জানেন। কিন্তু গল্পের বাকি চরিত্রদের কাছে এখনও সত্যিটা পরিষ্কার নয়। ফলে রাজু কীভাবে এই বিপদ থেকে বেরিয়ে আসবে এবং শেষ পর্যন্ত শান্তনুর আসল কীর্তি প্রকাশ্যে আসবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। নির্দোষ হয়েও রাজুকে যে পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে, সেই অন্যায়ের সমাধান কীভাবে হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

অন্যদিকে ঝিনুককে নিয়ে সম্রাটের আচরণও ক্রমশ অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে। সম্রাট নিজের অফিস এবং অন্যান্য কাজকর্ম কার্যত ছেড়ে দিয়ে সারাক্ষণ ঝিনুকের সঙ্গে থাকছে। এমনকি দু’জনের হাত শক্ত করে একসঙ্গে বেঁধে রাখছে সে, যার ফলে ঝিনুক একা নিজের মতো করে কিছুই করতে পারছে না। খাওয়া থেকে শুরু করে ঘুমানো, দৈনন্দিন কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঝিনুককে সম্রাটের সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে। রাতে ঝিনুক জানায় যে তার ঘুম হয়নি। কিন্তু সম্রাট সেই অবস্থাতেও তার পাশেই ঘুমিয়ে পড়ে। সম্রাটের এই আচরণে যেমন ঝিনুক অবাক, তেমনই তার মধ্যে ভয়ও তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে ‘কমলা নিবাস’-এর গল্পে এখন তিনটি আলাদা পরিস্থিতি সমান্তরালে এগোচ্ছে। একদিকে শান্তনুর চক্রান্তে নির্দোষ রাজু চুরির অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছে, অন্যদিকে সম্রাটের অস্বাভাবিক আচরণে ক্রমশ অস্বস্তিতে পড়ছে ঝিনুক। আবার চাকরি হারিয়ে শ্রীনিবাস অটো চালিয়ে সংসার সামলানোর চেষ্টা করলেও সেই সত্যিটা কমলার কাছ থেকে গোপন রাখছে। ফলে আগামী পর্বে রাজুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কীভাবে সামনে আসে, সম্রাটের এই আচরণের পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় এবং শ্রীনিবাসের লুকিয়ে রাখা সত্য কমলার সামনে প্রকাশ পায় কি না, এই তিন দিকেই এগোবে গল্প।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page