জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘প্রতিটা লাথি মনিটর করি, ও মিষ্টি খুব পছন্দ করে’, মা হওয়ার আগে কী নিয়ে চিন্তায় সোহিনী সরকার? অনাগত সন্তানের কি ভালো লাগে?

মা হওয়ার দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বদলে যাচ্ছে অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের জীবন। গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেও কাজ নিয়ে ব্যস্ত তিনি। আসন্ন ছবি ‘বেগুনি রঙের আলো’-র প্রচারেও নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। তবে কাজের ব্যস্ততার মাঝেও অনাগত সন্তানের প্রতিটি নড়াচড়া খুব কাছ থেকে অনুভব করছেন অভিনেত্রী। গর্ভাবস্থার এই সময়টাকে আনন্দের পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগও ঘিরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোহিনীর কথায়, সন্তানের নড়াচড়ার দিকে তিনি সবসময় নজর রাখেন। পেটে বাচ্চার লাথি অনুভব করা তাঁর কাছে যেমন আনন্দের, তেমনই কোনও দিন নড়াচড়া কম মনে হলে চিন্তাও হয়। হবু মা হিসেবে এই দুশ্চিন্তা যে একেবারেই স্বাভাবিক, সেটাও বুঝতে পারছেন তিনি। তবে ভয়কে বেশি প্রশ্রয় না দিয়ে এই বিশেষ সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার চেষ্টা করছেন অভিনেত্রী। শীঘ্রই জীবনে আসতে চলা নতুন সদস্যকে ঘিরে তাঁর উত্তেজনাও স্পষ্ট।

গর্ভাবস্থায় খাবার নিয়ে যে ধরনের বিশেষ ক্রেভিংসের কথা সাধারণত শোনা যায়, সোহিনীর ক্ষেত্রে ছবিটা কিছুটা আলাদা। বরং মজার ছলে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর চেয়ে বেশি ক্রেভিংস হচ্ছে স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের। সোহিনীর নাম করে আইসক্রিম বা অন্য কিছু আনলেও শেষ পর্যন্ত তার বেশিরভাগটাই নাকি খেয়ে ফেলেন শোভন। ফলে মজা করে সোহিনীর প্রশ্ন, সত্যিই কে প্রেগন্যান্ট—তিনি, না কি তাঁর স্বামী!

জীবনের এই বিশেষ সময়ে অবশ্য শোভনের যত্নও সোহিনীর কাছে বড় ভরসার জায়গা। এর আগেও অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থায় স্বামী তাঁকে যথেষ্ট আগলে রাখছেন। তাঁর কথায়, এই সময় শরীরের পাশাপাশি মনেরও অনেক পরিবর্তন হচ্ছে। আশপাশের মানুষের চোখে তাঁকে দেখার ধরনও বদলে গিয়েছে। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা তাঁর কাছে সম্পূর্ণ নতুন। একইসঙ্গে শোভনের ভালোবাসা ও পরিবারের সমর্থন এই নতুন যাত্রাকে আরও সুন্দর করে তুলেছে।

এখন আর বেশি অপেক্ষা নেই। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়েই সোহিনী ও শোভনের জীবনে আসতে চলেছে তাঁদের প্রথম সন্তান। পুজোর আগেই মা হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে অভিনেত্রীর সাম্প্রতিক কথাবার্তায়। মাতৃত্বের এই নতুন অধ্যায় শুরুর আগে কাজও সামলাচ্ছেন, আবার নিজের শরীর ও সন্তানের নড়াচড়ার দিকেও নজর রাখছেন সোহিনী। আনন্দ, উত্তেজনা, ভয় আর অপেক্ষা—সব অনুভূতি মিলিয়েই এখন দিন কাটছে হবু মায়ের।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page