জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

পল্লবীর জন্মদিনের আনন্দের মাঝেই হঠাৎ হাতে টাকার ব্যাগ নিয়ে হাজির শান্তনু! কমলার চোখের সামনে একি করল সে? ছেলের এই গোপন কাণ্ডের নেপথ্যে আসল সত্য কি এবার ফাঁস করবেন মা নিজেই? ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের টানটান পর্ব!

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) একদিকে যেমন পারিবারিক আনন্দের মুহূর্ত তৈরি হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে বাড়ছে নানা জটিলতা। এই পর্বে ঝিনুক ও সম্রাটের সম্পর্কের টানাপোড়েন আবারও সামনে এসেছে। সম্রাট এমনভাবে ঝিনুকের হাত বেঁধে রেখেছে যে নিজের দৈনন্দিন কাজও তাকে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়েই করতে হচ্ছে। খাওয়া, ঘুমানো থেকে শুরু করে এক মুহূর্তের স্বাভাবিক জীবনযাপনও ঝিনুকের পক্ষে কঠিন হয়ে উঠেছে। এতে ঝিনুক বারবার কষ্ট পেলেও সম্রাট প্রথমে তার পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ ভাবিত হয় না। তবে পরে প্রতিবারের মতোই নিজের আচরণের জন্য অনুতপ্ত হয়ে ঝিনুকের কাছে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চায়। সম্রাটের এই আচরণে শেষ পর্যন্ত ঝিনুকও তাকে ক্ষমা করে দেয়।

এদিকে আদির মনের খবর যে ঠাম্মির অজানা নয়, সেটাও এই পর্বে বেশ পরিষ্কার হয়ে যায়। আদি যে পল্লবীকে পছন্দ করে, ঠাম্মি তা বুঝতে পেরেছেন। তাই পরিবারের সঙ্গে মজা করতে করতে তিনি আদিকে নাথ জামাই করার প্রসঙ্গ তোলেন। ঠাম্মির সেই কথাকেই নিজের পক্ষে কাজে লাগায় আদি। খুব সরাসরি না বলে একটু ঘুরিয়ে নিজের পরিচয় সবার সামনে প্রকাশ করার সুযোগ করে নেয় সে। ফলে পল্লবীকে ঘিরে আদির মনের কথা এবং ঠাম্মির সেই বিষয়টি বুঝে যাওয়া, দুই দিকই পর্বে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে কমলা ও শ্রীনিবাসের জীবনে ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। একটি কাজে তাঁরা যখন ব্যাংকের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁদের অটো চালানো ব্যক্তিটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই মুহূর্তে আর কোনও উপায় না থাকায় শ্রীনিবাস নিজেই অটোর স্টিয়ারিং ধরেন এবং অসুস্থ অটোচালককে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এই ঘটনাটিই পরে শ্রীনিবাসের মাথায় নতুন চিন্তার জন্ম দেয়। অটো চালানোর অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর মনে হয়, এই কাজ করেও উপার্জনের একটি পথ তৈরি করা যেতে পারে। ফলে শ্রীনিবাসের জীবনে নতুনভাবে অটো চালানোর পরিকল্পনা সামনে আসে।

এরই মধ্যে পল্লবীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে কমলা নিবাসে তৈরি হয় বেশ আনন্দের পরিবেশ। পরিবারের সদস্যরা সকলে মিলে বাড়ির উঠোনে বসে জন্মদিনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করে। একসঙ্গে বসে পরিবারের সকলের এই আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দৃশ্যটিতে বাড়ির স্বাভাবিক পারিবারিক পরিবেশও ফুটে ওঠে। পল্লবীর জন্মদিন ঘিরে এই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্ত দেখা যায়। তবে এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, কারণ রাত নামতেই গল্প আবার অন্যদিকে মোড় নেয়।

রাতের অন্ধকারে শান্তনু চুরি করা টাকার ব্যাগ নিয়ে গোপনে বাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা করে। কিন্তু বাড়ি থেকে বেরোতে গিয়েই আচমকা তার সামনে পড়ে যায় কমলা। শান্তনুর হাতে টাকার ব্যাগ এবং তার আচরণ দেখে পরিস্থিতি যে স্বাভাবিক নয়, তা বোঝা গেলেও সেই মুহূর্তে ছেলের এই গোপন কর্মকাণ্ডের আসল কারণ কমলার কাছে পরিষ্কার হয় না। শান্তনুর এই রহস্যময় চলাফেরার পিছনে কী রয়েছে, সেটাই এখন গল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ফলে পল্লবীর জন্মদিনের আনন্দের পর্ব শেষ হতেই শান্তনুকে ঘিরে নতুন রহস্য তৈরি করে পরবর্তী ঘটনার দিকে এগিয়ে যায়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page