টেলিভিশনের পর্দায় কখনও খলনায়িকা, আবার কখনও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্রে নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন মানসী সেনগুপ্ত। মূল চরিত্রে না থেকেও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি এবার রাজনীতির ময়দানেও নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন অভিনেত্রী। ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও এবারের পুজো পরিবারকে সময় দিয়েই কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন মানসী।
পুজোর পরিকল্পনা নিয়ে মানসী জানান, এবার ষষ্ঠী পর্যন্ত তাঁর শুটিং রয়েছে। তারপর নবমী পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। পুজোর পর পরিবারের সঙ্গে গোয়া যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন অভিনেত্রী। গত বছর তাঁর ছেলে অনেক ছোট ছিল, তাই পুজোর আনন্দ সেভাবে বুঝতে পারেনি। এবার অনেক কিছু বুঝতে শিখেছে বলেই ছেলেকে নিয়ে প্যান্ডেলে ঘুরতে এবং অঞ্জলি দিতে চান মানসী। তাই আগের মতো পুজোর শুরুতেই শহর ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন না তিনি।
পুজোর সময় শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঠাকুর দেখার বদলে এবার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি আগ্রহী মানসী। সারা বছর শুটিংয়ের ব্যস্ততা থাকে বলে এই কয়েকটা দিন বাড়িতে বসে আড্ডা দিতে চান তিনি। কাছাকাছি তুলনামূলক ফাঁকা প্যান্ডেলে ছেলে মেয়েদের নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। বন্ধুরা এলে তাঁদের সঙ্গে সময় কাটাবেন, আর কেউ না এলে বাড়িতেই আরাম করে পুজোর দিনগুলো উপভোগ করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
পুজোর সাজের ক্ষেত্রে বরাবরই সাবেকি পোশন্দ মানসীর। ছোটবেলা থেকেই শাড়ি তাঁর পছন্দের পোশাক। এখন মলমল বা কটন শাড়ির সঙ্গে সুন্দর ব্লাউজ পরতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। সাজের ক্ষেত্রে আরামের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেন তিনি। নবমীতে গাঢ় শেড বা কালো শাড়ি পরার ইচ্ছে রয়েছে, অন্য দিনগুলিতে হালকা রঙের শাড়িই পছন্দ তাঁর। আর পুজোর খাবার নিয়ে মানসীর স্পষ্ট কথা, এই সময় ডায়েটের কথা মাথায় রাখেন না তিনি। পুজোর আগেই ডায়েট ভুলে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া শুরু হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ সৃজলার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের মাঝেই দুর্নিবারকে ‘সুবিধাবাদী ফেমিনিস্ট’ কটা’ক্ষ নন্দিনীর! “বিছানায় তো দু’জনেই বিছানায় শু’য়ে…” রাজবীরের প্রসঙ্গ টেনে পাল্টা অভিনেত্রীকে ধুয়ে দিলেন গায়ক, প্রশংসা নেটপাড়ার!
ছোটবেলার পুজোর স্মৃতিও আজও মনে রেখেছেন মানসী। পুজোর ছুটিতে পিসির মেয়ের বাড়িতে আসা, একসঙ্গে সময় কাটানো এবং জামাকাপড় আদানপ্রদান করে পরার দিনগুলিই তাঁর কাছে বিশেষ স্মৃতি। ছোটবেলায় পুজোয় প্রেম হয়নি বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে প্রেমে পড়ার পর তাঁর কাছে পুজোর আনন্দ আরও বিশেষ হয়ে উঠেছিল। সাবেকি পুজোর প্রতি এখনও তাঁর আলাদা টান রয়েছে। তাঁর মতে, থিম পুজো যতই জনপ্রিয় হোক, ডাকের সাজের সৌন্দর্যকে কখনও ছাপিয়ে যেতে পারবে না।
