জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়েই জিতুর বি’রুদ্ধে বো’মা ফাটালেন দীপেন্দু, ফাঁস করলেন একের পর এক রহস্য! ফের অভিনেতার বিরুদ্ধে উঠলো কোন অভি’যোগ?

বিগ বসের বাড়িতে কে কার বন্ধু, আর কে আড়ালে নিজের খেলাটা খেলছেন, তা বোঝা মোটেই সহজ নয়। হাসি, কান্না, ঝগড়া আর আবেগের আড়ালে লুকিয়ে থাকে নানা সমীকরণ। কিন্তু শো থেকে বেরিয়ে আসার পর যদি কোনও প্রতিযোগী সেই অন্দরমহলের অভিজ্ঞতা সামনে আনেন, তা হলে কৌতূহল বাড়বেই। এবার তেমনই একাধিক অজানা ঘটনা সামনে আনলেন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। তাঁর কথায় উঠে এল এক প্রতিযোগীর কান্না নিয়ে প্রশ্ন, মাঝরাতে নন্দিনীর ভেঙে পড়া এবং রান্নাঘরের এমন কিছু কাণ্ড, যা শুনলে অবাক হতে হয়। কিন্তু কাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তাঁর?

‘বিগ বস বাংলা’র বাড়িতে টানা ৩৯ দিন কাটিয়ে সম্প্রতি বাইরে এসেছেন দীপেন্দু। বেরিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রতিযোগীদের মধ্যে নানা ধরনের সমীকরণ তৈরি হলেও সব সময় কাউকে প্রকৃত বন্ধু বলে ভরসা করা যায় না। বিশেষ করে জিতু কমলকে নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা বেশ তিক্ত। দীপেন্দুর দাবি, এলিমিনেশনের দিন জিতু তাঁর কাছে এসে চোখে জল নিয়ে জানিয়েছিলেন যে তিনি নাকি দীপেন্দুকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু পরে দীপেন্দু জানতে পারেন, ঘটনাটি তেমন ছিল না। এই বিষয়টি তাঁর একেবারেই ভালো লাগেনি। তাঁর বক্তব্য, খেলায় প্রতিযোগিতা থাকতেই পারে, কিন্তু মিথ্যে আবেগ দেখানো উচিত নয়। সেই প্রসঙ্গেই তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “গেম খেলতে এসেছ খেলো, কিন্তু মিথ্যে কান্নার কোনও জায়গা নেই।”

শুধু জিতুকে ঘিরে অভিজ্ঞতাই নয়, নন্দিনী দত্তকে নিয়েও একটি ঘটনা জানান দীপেন্দু। তাঁর কথায়, একদিন মাঝরাতে কাঁদতে কাঁদতে তাঁর কাছে এসেছিলেন নন্দিনী। সৃজলা গুহর সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হয়েছিল তাঁর। সেই সময় দীপেন্দু নন্দিনীকে শান্ত করেন এবং সৃজলার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, উত্তেজিত পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখাই জরুরি। দীপেন্দুর পরামর্শ মেনে নন্দিনী পরে সৃজলার কাছে যান বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, দীপেন্দুর বিদায়ে গায়ক দুর্নিবার সাহা সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছিলেন বলেও তাঁর অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে।

বিগ বসের বাড়ির রান্নাঘরের অভিজ্ঞতাও কম চমকপ্রদ নয়। দীপেন্দু জানান, সীমিত লাক্সারি বাজেটের কারণে খাবারদাবার নিয়ে প্রতিযোগীদের হিসেব করে চলতে হত। তাঁর দাবি, প্রায় ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র দু’দিন চিকেন এবং একদিন ইলিশ মাছ খাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। চিনি বাঁচাতে উইকেন্ডে পাওয়া রসগোল্লার রস জমিয়ে রেখে পরবর্তী কয়েক দিন সেই রস দিয়েই চা তৈরি করা হত। এমনকী, সকালে ঝগড়া বাধানোর উদ্দেশ্যে কয়েকজন প্রতিযোগী ডাল ফেলে ও লঙ্কা ছড়িয়ে রাখার পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে দীপেন্দু, মনামী ঘোষ ও সোনামণি সাহা সকালে উঠে সেগুলি পরিষ্কার করে দেন। সব মিলিয়ে, বিগ বসের ঘরের নানা অজানা অভিজ্ঞতা সামনে এনে দীপেন্দু বুঝিয়ে দিলেন, ক্যামেরার সামনে যা দেখা যায়, তার বাইরেও চলে অনেক হিসেব-নিকেশ।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page