রিয়্যালিটি শোয়ের ঘরে সম্পর্কের সমীকরণ যত জটিল হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রতিযোগীদের মধ্যে দূরত্ব। কখনও বন্ধুত্ব, কখনও মতবিরোধ, আবার কখনও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। আর এই আবহেই এক প্রতিযোগীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠল সঞ্চালকের দরবারে। বারবার সতর্ক করার পরেও কি নিজের ভুল বুঝতে পারছেন না তিনি? নাকি অন্য কারও প্রভাবেই বদলে যাচ্ছে তাঁর খেলার ধরন?
সাম্প্রতিক পর্বে রাজবীর দে-র আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। জীতু কামালের সঙ্গে রাজবীরের বিবাদ, অন্য প্রতিযোগীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণ এবং খাবার নষ্ট করার বিষয়টি নিয়ে তাঁকে সতর্ক করেন সৌরভ। এমনকী, একই ধরনের আচরণ চলতে থাকলে শো থেকে বের করে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
এই ঘটনার মধ্যেই উঠে আসে নন্দিনী দত্তের প্রসঙ্গ। সৌরভের বক্তব্য, নন্দিনীর কথায় প্রভাবিত হয়ে রাজবীর নিজের আচরণ বদলাচ্ছেন। তাঁর মতে, নন্দিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে বাড়ির অন্য সদস্যদের সঙ্গে রাজবীরের সম্পর্কও খারাপ হচ্ছে। নন্দিনীকে তাই রাজবীরকে নিজের মতো করে খেলতে দেওয়ার পরামর্শ দেন সঞ্চালক। তাঁর হয়ে বারবার কথা না বলে, নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে দেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।
তবে সৌরভের এই বক্তব্যের সঙ্গে নন্দিনী একমত কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। বাড়ির অন্য সদস্যদের কাছেও জানতে চান সৌরভ, রাজবীরকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেন কে, জীতু না নন্দিনী? অধিকাংশ সদস্যই নন্দিনীর নাম নেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে রাজবীরের খেলার ধরন নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “দুজনের অনেক কিছু ব্যাপারে প্রচণ্ড মেলে…ওর যাতে ভালো হয় সেটা তো ভাবতে হবে আমায়” ঋষি কৌশিকের সঙ্গে অপরাজিতার বিয়ে হলে ভালো হতো? দাম্পত্যের এক দশক পেরিয়ে হঠাৎ কেন এমন অনুভূতি ঋত্বিকের?
কিন্তু এত সতর্কবার্তার পরেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। পর্বের শেষদিকে জীতু ও রাজবীর ফের বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। কথা কাটাকাটি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে দু’জনকে থামাতে অন্য সদস্যদের এগিয়ে আসতে হয়। এরপরই রাজবীর ও নন্দিনীকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেন সৌরভ। এবার কি তাঁরা নিজেদের আচরণে বদল আনবেন, নাকি এই বিবাদই তাঁদের খেলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে? সেই উত্তর জানতে নজর থাকবে পরবর্তী পর্বে।
