জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

অহনা-দীপঙ্করের বিশেষ মুহূর্ত! বিছানায় রোমান্স, মা-বাবার পাশে শুয়ে কী করছে আদুরে মেয়ে মীরা? মিষ্টি ছবি মন ছুঁয়ে গেল নেটপাড়ার!

সম্প্রতি মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অহনা দত্ত তার স্বামীর সঙ্গে একটি সেলফি পোস্ট করেছিলেন, যেখানে দেখা যায় দীপঙ্কর স্যালাইন দিয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন। তার বুকের উপর বিভিন্ন চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ছিল। জানা যায়, আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন দীপঙ্কর এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। তবে চিকিৎসার পর দীপঙ্কর হাসপাতাল থেকে ছাড় পান, কিন্তু তিনি এখনো বিশ্রামে আছেন।

তবে এই কঠিন সময়ে, দীপঙ্করের সঙ্গে সুখী মুহূর্ত ভাগ করে নেন অহনা। হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার পর, দুজন একসাথে কিছু সময় কাটান। অহনার পরনে ছিল নীল স্ট্রাইপড শার্ট এবং দীপঙ্কর পরেছিলেন হলুদ টি-শার্ট। একটি বই হাতে নিয়ে অহনা বরের আদরে মজেছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ছুটির দিন’। ডেইলি সোপের কাজ এবং দীপঙ্করের মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজের চাপের মধ্যে এই ধরনের ছুটি তাঁদের কাছে খুবই মূল্যবান।

বাবা-মায়ের থেকে দূরে থাকা সত্ত্বেও, অহনা তার শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছেন। শ্বশুরমশাই এবং নানির কাছ থেকে সহায়তা পেয়ে তিনি মাতৃত্বের দায়িত্বও সুন্দরভাবে পালন করছেন। দীপঙ্করের অসুস্থতার সময়ও তার পাশে ছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। যদিও অহনার মা-বাবা তাঁর প্রেম বা বিয়ে নিয়ে মত প্রকাশ করেননি, তবুও শ্বশুরবাড়ির ভালোবাসা ও সহানুভূতি তাকে মনের শক্তি দিয়েছে।

হাসপাতালে দীপঙ্করের অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে অহনা রীতিমতো চাপে পড়েন। একদিকে ছোট্ট মীরা, অন্যদিকে দীপঙ্করের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি—দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর থেকেই অহনা ও দীপঙ্করের জীবনে অনেক কিছু বদলে গেছে। ফেসবুকে এক ভিডিও শেয়ার করে অহনা জানান, দীপঙ্কর বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করছিলেন এবং নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। তখন তিনি শুটিংয়ে ছিলেন, কিন্তু খবর পেয়ে তিনি দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান।

দীপঙ্কর তার অসুস্থতার পরের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, সেদিনের ঘটনা আজও তাকে আতঙ্কিত করে। তিনি জানান, সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল যেন সব কিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল এবং প্যানিক অ্যাটাকের মতো অনুভূতি হচ্ছিল। এর মধ্যেই তার শ্বশুর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে আইসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয় এবং চিকিৎসা চলতে থাকে। সেসব স্মৃতি এখনো তাকে ভীত করে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page