জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“ভ্যালেন্টাইনস সেলিব্রেট করব না, উদয় সব…” হঠাৎ অভিমানী স্ত্রী অনামিকা! প্রেমের সপ্তাহে স্বামীর কোন আচরণে মনখারাপ অভিনেত্রীর?

ভালোবাসার মাস আর প্রেমের সপ্তাহ মানেই চেনা রুটিন! একে অপরকে গোলাপ দেওয়া, ঘুরতে যাওয়া, উপহার-সারপ্রাইজ আর যুগল ছবি। কিন্তু জনপ্রিয় অভিনেত্রী ‘অনামিকা চক্রবর্তী’র (Anamika Chakraborty) ক্ষেত্রে ছবিটা যেন একটু আলাদা। ‘ভ্যালেন্টাইনস উইক’ (Valentines Week) নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি অকপটে জানিয়েছেন, “বিশেষ কোনও পরিকল্পনা নেই!” কারণ, স্বামী উদয় প্রতাপ সিং (Uday Pratap Singh) কাজ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত। কথার মধ্যে অভিমান থাকলেও তাতে তিক্ততা নেই, বরং বাস্তবের স্বরটাই বেশি স্পষ্ট।

তাঁর কাছে এই বিশেষ সপ্তাহে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত উপহার নাকি দামি কিছু নয়, শুধু স্বামীর একটু সময়! ‘রোজ ডে’ থেকেই নাকি অভিনেত্রীর মন খারাপের শুরু। অনামিকার কথায়, তিনি উদয়কে গোলাপ দিয়েছেন কিন্তু উল্টো দিক থেকে কিছুই পাননি! এই নিয়েই খুনসুটি, রাগ-অভিমান। এমনকি মজার ছলেই নাকি বলে দিয়েছেন, একসঙ্গে সেলিব্রেশন হবে না! তবে, অভিমানে ঘরে বসে থাকেননি অভিনেত্রী। বান্ধবীর সঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়েছেন, নিজের মতো করে সময় কাটিয়েছেন।

তাঁর মতে, উদয় খুব ‘ভুলোমন’, কাজের চাপে অনেক কিছুই নাকি মনে থাকে না। এই সামান্য অভিমানকে ঘিরেই আবার নাকি সমাজ মাধ্যমে নানান জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ সম্পর্কের ভাঙন পর্যন্ত কল্পনা করছেন! কিন্তু অনামিকা এসব নিয়ে খুবই বিরক্ত। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, বাইরের মানুষ যা খুশি ভাবতে পারেন, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কের ভিত কতটা মজবুত, সেটা তাঁরাই জানেন। ছোটখাটো মনোমালিন্যকে তিনি স্বাভাবিক বলেই মনে করেন।

প্রসঙ্গত, রিল লাইফে যেমন তাঁদের জুটি জনপ্রিয়, তেমনই বাস্তবেও অনামিকা-উদয়ের সম্পর্ক ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্র। মাঝখানে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠেছিল বটে, তবে সময়ের সঙ্গে সেই অধ্যায় পেরিয়ে এসেছেন দু’জনেই। এখনকার পরিস্থিতিতেও বোঝা যায়, দূরত্ব নয় বরং সময়ের অভাবটাই তাঁদের প্রধান সমস্যা। অনামিকা নিজেই বলেছেন, উদয়ের কাজ গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সেই ব্যস্ততার মাঝেও একটু ব্যক্তিগত সময় পেলে তিনি খুশি হবেন।

উল্লেখ্য, এদিকে ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি পেশাগত দিক নিয়েও তাঁর আক্ষেপ আছে। ইদানীং হাতে তেমন কাজ নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি। কখনও চরিত্রের সঙ্গে মানাচ্ছে না, তো কখনও ওজন বেশি বলে বাদ পড়ছেন তিনি, তবু হতাশ নন এতে। জীবন যে চড়াই-উতরাইয়ের মিশেল, তা মেনে নিয়েই এগোতে চান অনামিকা। প্রেমের সপ্তাহে অভিমান থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর কথাবার্তায় পরিষ্কার যে ভালোবাসার জায়গাটা অটুটই রয়েছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page