জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’র প্রাক্কালে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি সৌমিতৃষা কুণ্ডুর! প্রেমে পড়েছেন নায়কের, তবে টলিপাড়ার নয়! যাকে দেখেই মন হারিয়েছেন মিঠাই রানি, কে সেই বিশেষ মানুষ?

ভ্যালেন্টাইনস ডে সামনে আসতেই চারদিকে প্রেমের আবহ। ঠিক এই সময়েই নিজের মনের মানুষের কথা প্রকাশ্যে আনলেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় মুখ ‘মিঠাই রানি’ সৌমিতৃষা কুণ্ডু। তবে কোনও বাঙালি প্রেমিক নন, তাঁর হৃদয় জুড়ে এখন তুরস্কের এক সুদর্শন অভিনেতা। নাম এমিন গুয়েনক। শুধু পছন্দ নয়, সৌমিতৃষার কথায় তিনি এখন তাঁর স্বপ্নের পুরুষ। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে এক বিদেশি তারকার প্রতি এমন টান যেন তাঁর ভ্যালেন্টাইনস আবহকেই অন্য মাত্রা দিয়েছে। বাস্তব জীবনে সিঙ্গল এই অভিনেত্রী অকপটেই স্বীকার করেছেন, এমিনকে নিয়েই এখন তাঁর কল্পনার জগৎ ভরে রয়েছে।

তুরস্কের জনপ্রিয় ধারাবাহিক আরাফতা দেখেই এমিনের প্রেমে পড়েছেন সৌমিতৃষা। সিরিজের পর্দায় তাঁর ব্যক্তিত্ব, গভীর চোখের চাহনি আর স্টাইলিশ উপস্থিতি মুগ্ধ করেছে অভিনেত্রীকে। এমিন কেবল অভিনেতাই নন, তিনি একসময় বাস্কেটবল খেলোয়াড় ছিলেন এবং পরে মডেলিং জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেন। জেনলিক, কুসুরসুজ কিরাসি ও সেক্রেড ডেমিজন ৪ সহ একাধিক শোতে তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের নজর কেড়েছে। আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা পাওয়া এই তারকার আকর্ষণ যে সহজেই মন কাড়তে পারে, তা সৌমিতৃষার কথাতেই স্পষ্ট। তাঁর স্বীকারোক্তি, এমিনকে দেখার পর থেকেই মন যেন তুরস্কেই আটকে আছে।

প্রেমদিবস ঘিরে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সৌমিতৃষা জানিয়েছেন, এমিনকে ছাড়া এখন কিছুই ভাবতে পারেন না তিনি। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও সময় পেলেই আরাফতা দেখেন। তাঁর ভাষায়, এমিন যেন এক স্বপ্নময় উপস্থিতি, যাকে ঘিরেই এখন তাঁর কল্পনার ডানা মেলে। তবে বাস্তবের জীবনে তিনি এখনও সিঙ্গল এবং প্রেম নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নেই। বরং দূর দেশের এই তারকার প্রতি মুগ্ধতা তাঁকে আনন্দ দিচ্ছে। অনেকটা সিনেমার মতোই, যেখানে কল্পনা আর বাস্তবের সীমারেখা মিলেমিশে যায়, তেমনই অনুভূতির মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী।

তবে ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে তাঁর বাস্তব পরিকল্পনা বেশ সহজ এবং ঘরোয়া। কোনও সিক্রেট ডেট বা বিশেষ আয়োজন নেই। পরিবারের সঙ্গেই কাটবে দিনটি। অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর ভ্যালেন্টাইন হল তাঁর পরিবার। সবার সঙ্গে একসঙ্গে ডিনার করেই দিনটি উদযাপন করবেন তিনি। ভালোবাসা মানেই যে কেবল রোম্যান্টিক সম্পর্ক নয়, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ, সেই বার্তাই যেন দিতে চেয়েছেন তিনি। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও কাছের মানুষদের সময় দেওয়া তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।

ভালোবাসার জন্য আলাদা দিন প্রয়োজন কিনা তা নিয়ে তাঁর ভাবনা খুবই বাস্তবসম্মত। তিনি মনে করেন, প্রতিদিনই ভালোবাসার হতে পারে, তবে বিশেষ দিন মানুষকে একটু থেমে সম্পর্ককে অনুভব করার সুযোগ দেয়। আপাতত সৌমিতৃষার মন জুড়ে রয়েছেন তুরস্কের এমিন, আর সেই মুগ্ধতার রেশ নিয়েই কাটবে তাঁর প্রেমের সপ্তাহ। ভবিষ্যতে এই ক্রাশ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা সময়ই বলবে। তবে এখনকার জন্য স্বপ্নে ভরা এই অনুভূতিই তাঁকে হাসিখুশি রাখছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page