জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

অন্ধকার মন আর ভাঙা অনুভূতির গল্প বলতে আসছে ‘আয়না!’ পরিচালনায় রাতুল মুখার্জি

মানুষের মনের গভীর অন্ধকার, ভাঙা অনুভূতি আর আত্মসংঘর্ষের এক অন্যরকম গল্প নিয়ে সামনে এল মিউজিক ভিডিও ‘আয়না’। পরিচালক রাতুল মুখার্জির এই কাজটি বাংলা মিউজিক ভিডিওর চেনা ছকের বাইরে গিয়ে তৈরি করেছে এক আলাদা আবহ। এখানে গান শুধু শোনার জন্য নয়, অনুভব করার জন্য। শিলাজিৎ এবং সুমনা দাস এই প্রজেক্টে নিজেদের নতুনভাবে তুলে ধরেছেন, যা দর্শকদের মনে কৌতূহল এবং আগ্রহ দুইই বাড়াচ্ছে।

গানটির পেছনের গল্পটিও বেশ আবেগঘন এবং বাস্তব অনুভূতির উপর দাঁড়িয়ে। শিলাজিৎ জানিয়েছেন, এটি কোনও পরিকল্পিত সৃষ্টি ছিল না। জীবনের এক কঠিন সময়ে তাঁর মনে যখন সবকিছু এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল, তখনই এই গানের জন্ম। চারপাশের মানুষ, স্মৃতি এমনকি নিজের প্রতিচ্ছবিও তাঁর কাছে অচেনা লাগছিল। সেই অবস্থাতেই তিনটি শব্দ, ভাঙা কাঁচ, অন্ধকার ঘর এবং ভাঙা হৃদয়, তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং সেখান থেকেই শুরু হয় ‘আয়না’র যাত্রা।

পরিচালক রাতুল মুখার্জি এই ভিডিওটিকে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, বাংলা দর্শকদের জন্য এটি এক নতুন ধরনের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।

সিনেমাটোগ্রাফার রোহান পল এবং সম্পাদক ঈশানের কাজ ভিডিওটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। প্রতিটি ফ্রেমে রয়েছে চিন্তাভাবনার ছাপ এবং নিখুঁত পরিকল্পনার ছোঁয়া, যা পুরো প্রজেক্টটিকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

অভিনেত্রী সুমনা দাসের জন্যও এই কাজটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। র‍্যাপ ঘরানার এই ধরনের মিউজিক ভিডিওতে আগে কাজ না করলেও, ভিন্ন কনসেপ্টের জন্যই তিনি এই প্রজেক্টে যুক্ত হন। তাঁর মতে, শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা এবং পর্দায় নিজের উপস্থাপনা একেবারে আলাদা, যা তাঁকে নিজের কাজকে নতুনভাবে দেখতে সাহায্য করেছে। পরিচালক এবং সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করাও তাঁর কাছে ছিল খুবই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা।

ভিডিওটির ভিজ্যুয়াল দিকটিকে আরও গভীরতা দিয়েছে সৌমাল্য মল্লিকের কালার গ্রেডিং। আলো এবং ছায়ার ব্যবহার, আবেগের সূক্ষ্ম প্রকাশ এবং মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এই ভিডিওকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। মুক্তির পর থেকেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘আয়না’ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্মাতাদের আশা, এই পরীক্ষামূলক কাজ নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page