জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

[rank_math_breadcrumb]

Bangla Serial

Adrit Roy: চুল-দাড়িতে ঢেকেছে মুখ! ‘দয়া করে একটু চুল দাড়ি কাটুন আমরা আপনার মিষ্টি মুখ দেখতে চাই’, উচ্ছে বাবুর কাছে আর্জি বঙ্গনারীদের

তিনি বাংলা টেলিভিশনের হার্টথ্রব। তাঁকে দেখে কত মেয়ের মন যে কেঁপে ওঠে তা বলার ইয়ত্তা নেই। তিনি এই মুহূর্তে বাংলার অন্যতম সুদর্শন সুপুরুষ অভিনেতা আদৃত রায় (Adrit Roy)।

বহু সিনেমায়, মিউজিক অ্যালবামে অভিনয় করলেও ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের সৌজন্যে তাঁর সাফল্য, জনপ্রিয়তা, আকাশছোঁয়া। তাঁর ভক্ত সংখ্যাও চোখে দেখার মতো। তিনি এক কথায় এই মুহূর্তে বাংলার সবথেকে জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা।

নায়ক-নায়িকার মিষ্টি প্রেম, পারিবারিক একাত্মতা, খুনসুটি, বিভিন্ন মজাদার মুহূর্ত দেখিয়ে দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে বাধ্য করেছে জি বাংলার সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই।’ এই ধারাবাহিকেই নায়ক চরিত্রে অভিনয় করছেন বং ক্রাশ আদৃত রায়। উল্লেখ্য, মিঠাইরানীর সিডি বয় বাঙালি নারীকুলের মনে কার্যত রাজত্ব করছেন। বলা যায় বাংলা টেলিভিশনের চকোলেট বয় তিনি।

sid mithai

এই ধারাবাহিকের নায়ক আদৃত রায় যে শুধুমাত্র যে একজন অভিনেতা এমনটা নয় সমানতালে তিনি একজন গায়কও বটে। অভিনেতা সোশ্যাল দুনিয়ায় খুব একটা অ্যাক্টিভ নন।‌‌ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কোথাওই সেই ভাবে দেখা মেলে না অভিনেতার। তবে এই সুদর্শন অভিনেতা কিন্তু ভীষণ গুণী। খালি গলাতেও দারুণ গান গাইতে পারেন তিনি। ব্যান্ডের গায়ক হিসাবে বেশ জনপ্রিয় আদৃত। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অনুষ্টানও করতে দেখা যায় তাঁকে। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর গানের গুণমুগ্ধের সংখ্যাও অসংখ্য।

হ্যান্ডসাম এই অভিনেতা কিন্তু সব সময়ই দারুণ ঝকঝকে লুকে থাকেন। তবে সম্প্রতি বড় বড় চুল, মুখ ভর্তি বড় দাড়িতে একটু যেন কিরকম কিরকম ঠেকছে তাঁকে। আর তাতেই বেজায় মন খারাপ বঙ্গনারী কূলের। প্রিয় সিডি বয়-এর কাছে তাঁদের করুণ আর্জি যদি চুল দাড়ির প্রয়োজন না থাকে তাহলে এবার যেন তিনি চুল দাড়িটা কাটেন। আসলে তাঁর ওই মিষ্টি মুখ না দেখে থাকতে পারছেন না মেয়েরা। তাঁদের কথায়, ‘তোমায় রোজ দেখলেও মুখ টা ভালো করে দেখতেই পাচ্ছি না!’ তবে আবার সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তাঁরা, ‘দেখো, যেনো আবার দাড়ি পুরো কেটে ফেলো না ! হালকা সেভ করলে বেশি সুন্দর লাগে !’

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page