জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

আবার‌ও চেনা ছন্দে ফিরছে বাংলা ধারাবাহিক! ‘মোহর’, ‘মিঠাই’-এর রেশ টেনে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ দেখালো বাংলা ধারাবাহিকের ক্রেজ! ধারাবাহিকপ্রেমীরা আবারও প্রিয় জুটিকে নিয়ে মাতিয়ে রাখছেন সমাজ মাধ্যম!

সম্প্রতি আবারও সমাজ মাধ্যমে জমে উঠেছে বাংলা ধারাবাহিককে (Bengali Serial) ঘিরে আলোচনা। বহুদিন বাদে দর্শকদের সেই আগ্রহ, উন্মাদনা আর নিজেদের মতামত ভাগ করে নেওয়ার দৃশ্য নতুন করে চোখে পড়ছে। বিশেষ করে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ (Chirodini Tumi Je Amar) ধারাবাহিকের মুখ্য অভিনেতা জিতু কমল (Jeetu Kamal) এবং দিতিপ্রিয়া রায়কে (Ditipriya Roy) ঘিরে দর্শকদের আলোচনায় যেন নতুন স্রোত তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের নীরবতার পর এই পরিবেশ ফিরে আসায় অনেকেই আগের দিনগুলোর স্মৃতি টেনে আনছেন। অতীতে ‘মিঠাই’ (Mithai) কিংবা ‘মোহর’ (Mohor) ধারাবাহিকের সময় যে আবেগ, সাড়া এবং অনুরাগ দেখা গিয়েছিল, এবারও তারই আভাস মিলছে!

মাঝখানে যে দীর্ঘ সময় বাংলা ধারাবাহিক নিয়ে এতটা উচ্চস্বর আলোচনা দেখা যায়নি, সেটা আজ আবার ফিরে আসছে। দর্শকরা মনে করছেন, মিঠাইয়ের সিদ্দার্থ-মিঠাই কিংবা মোহরের মোহর-শঙ্খ এমনকি আরও কয়েকটি জনপ্রিয় জুটি যেমন তখন একধরনের আবেগ তৈরি করত, সেই আবেশই ছিল ধারাবাহিকগুলির প্রাণ! সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে প্রতিদিন নিত্য নতুন আলোচনা হত। ছোট্ট দৃশ্য থেকেও গল্পের মোড় ঘুরিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু হত আর টিআরপির দৌড়ে বাংলা ধারাবাহিকগুলির লড়াই হতো আজকের থেকে অনেক বেশি কঠিন।

মানুষের আগ্রহ এতটাই ছিল যে অনেকেই নিজের কাজ ফেলে ধারাবাহিকের সময় ধরে টেলিভিশনের সামনে বসে থাকতেন। মিঠাইয়ের মেজাজ আর সিদ্দার্থের সঙ্গে তার মিষ্টি দ্বন্দ্ব বা মোহর এবং শঙ্খর অতীত আর বর্তমানের সম্পর্ক নিয়ে উঠানামা, এই সবকিছু মিলেই তখন দুটি ধারাবাহিকের দর্শকদের মধ্যে চলতো, কে সেরা তাই নিয়ে লড়াই। এমন সংযোগ তৈরি হয়েছিল, যেখানে গল্পের চরিত্রগুলো যেন বাড়ির লোকের মতো হয়ে উঠেছিল। সামাজিক মাধ্যম ভরে যেত নানা মত থেকে ব্যাখ্যা, প্রত্যাশা আর মজার আলোচনায়।

সেই দিনগুলোকে তুলনা করলে দেখা যায়, এখন আর আগের মতো চিত্রটা নেই। তবে, জিতু-দিতিপ্রিয়ার এই অসমবয়সী আর্য-অপর্ণা জুটি যেন নতুন উচ্ছ্বাস আর সেই পুরোনো পরিবেশেরই পুনরাবির্ভাব ঘটাচ্ছে! আজ আবার সেই পুরোনো উত্তেজনার ছায়া দেখা যাচ্ছে আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে জিতু কমল ও দিতিপ্রিয়ার অনস্ক্রিন-অফস্ক্রিন টানাপোড়েন। দর্শকেরাও বলছেন, যেভাবে আগে মিঠাই-সিদ্দার্থ বা মোহর-শঙ্খর সম্পর্কের ছোট বড় ঘটনাও বড় আলোচনার জন্ম দিত। ঠিক তেমনই এখন আর্য-অপর্ণাকেও ঘিরে তারা ভাবনা-চিন্তা ভাগ করে নিতে ভালোবাসছেন।

ধারাবাহিক নিয়ে সক্রিয় সেই সামাজিক পরিবেশ যেন আবার জন্ম নিচ্ছে, যা বহুদিন দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে, বাংলা ধারাবাহিকের দর্শকেরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছেন। আগে যেমন তাঁরা প্রিয় ধারাবাহিক নিয়ে আলোচনা, মতামত থেকে সমালোচনা ও প্রশংসা করতেন, সেই পরিবেশ আবারও ফিরে আসছে। মানুষ যেভাবে গল্প, চরিত্র আর শিল্পীদের নিয়ে একত্রিত হত, সেই সুর যেন আবার শোনা যাচ্ছে। এই ইতিবাচক উচ্ছ্বাস বাংলা ধারাবাহিকের জগতকে নতুন করে প্রাণ এনে দিচ্ছে নিঃসন্দেহে! আর জিতু-দিতিপ্রিয়ার দ্বন্দ্ব, অনুভূতি আর মিলনের ইঙ্গিত সেই আলোচনাকে আরও রঙিন করে তুলছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page