‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে নয়া মোড়! অপর্ণার জীবনে হঠাৎ আবির্ভাব নতুন পুরুষের! মিষ্টি প্রেমের শুরুতেই কি ভাঙবে আর্য-অপর্ণার সম্পর্ক? তাহলে কি শেষমেষ অপর্ণাকে হারাতে চলেছে আর্য?

প্রেমের গল্প মানেই কখনও মিষ্টি আবেশ, কখনও তিক্ত দ্বন্দ্ব। দর্শকের প্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এও দেখা যাচ্ছে সেই ছবিই। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আর্য সিংহ রায় এবং অপর্ণা বসুর ভালবাসা একে অপরের কাছে প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু সুখের শুরুতেই নেমে এল অশান্তির কালো মেঘ। বর্তমান সম্পর্কের মাঝে এসে পড়েছে আর এক পুরুষ যিনি নীরবে নায়িকার জীবনে জায়গা করে নিচ্ছেন।

অপর্ণার বাবা হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সেখানেই পরিচয় ঘটে নতুন চরিত্র, চিকিৎসক হিন্দোল মিত্রের। রোগীর যত্ন নেওয়ার ফাঁকেই ধীরে ধীরে অপর্ণার পরিবারের কাছে আলাদা করে জায়গা তৈরি করছেন তিনি। ভদ্রতা ও নম্রতায় জয় করে নিয়েছেন নায়িকার মা-বাবার মন। আর এখানেই প্রশ্ন তাহলে কি আর্য-অপর্ণার প্রেমের কাহিনি জটিল হতে চলেছে?

চিকিৎসক হিন্দোল মিত্রর চরিত্রে অভিনয় করছেন মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য। বাস্তবে তিনি পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, পাশাপাশি গত ১৫ বছর ধরে মঞ্চে অভিনয় করছেন। তাঁর বাবা বরুণ ভট্টাচার্য উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের হাতেখড়ি বাবার কাছেই। এই ধারাবাহিক ছাড়াও ‘খনার কাহিনি’-তে খলনায়কের ভূমিকায় তাঁকে দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ একদিকে সমসাময়িক গল্পে ইতিবাচক চরিত্র, অন্যদিকে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্র দুই অভিজ্ঞতাকেই সমানভাবে উপভোগ করছেন তিনি।

প্রশ্ন উঠেছে, সত্যিই কি হিন্দোল অপর্ণার প্রতি দুর্বল? অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন “ভাল লাগছে, তবে এখনও গল্প সে দিকে মোড় নেয়নি।” তবে এ কথাও স্বীকার করেছেন, অপর্ণার বাবার চিকিৎসার দায়িত্ব তিনি কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এমনকি নায়িকাকে সরাসরি অনুরোধ করেছেন তাঁকে শুধুই ‘হিন্দোল’ বলে ডাকতে। অন্যদিকে, সহ-অভিনেতা জীতু কমলের সঙ্গে তাঁর রসায়নও বেশ ভাল বলেই জানিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়। তবে অপর্ণা চরিত্রের অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা নাকি খুব একটা হয় না।

এখন দর্শকের কৌতূহল তাহলে কি অপর্ণাকে হারাবেন আর্য? নাকি কাহিনি অন্য মোড় নেবে? ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কানাঘুষো শুরু, কেউ কেউ লিখছেন হিন্দোলই নাকি হতে চলেছেন আর্য-অপর্ণার প্রেমের পথে প্রধান বাধা। তবে শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে, তা স্পষ্ট করবে শুধুমাত্র চিত্রনাট্য। আর সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছেন দর্শকমহল।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত মতামত, মন্তব্য বা বক্তব্যসমূহ সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি মাত্র। এটি আমাদের পোর্টালের মতামত বা অবস্থান নয়। কারও অনুভূতিতে আঘাত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, এবং এতে প্রকাশিত মতামতের জন্য আমরা কোনো প্রকার দায়ভার গ্রহণ করি না।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page