দেবচন্দ্রিমা নয়, দ্বীপান্বিতা হতেন ‘সাঁঝের বাতি’ ধারাবাহিকের নায়িকা ‘চারু’! কেন হতে পারলেন না তিনি? এবার অভিনেত্রী সামনে আনলেন, এতদিনের গোপন তথ্য!

টেলিভিশনের পর্দায় যাঁকে দর্শক বহুদিন ধরে ভালোবেসে এসেছেন, সেই ‘দ্বীপান্বিতা রক্ষিত’ (Dipanwita Rakshit) বরাবরই নিজের কাজ দিয়েই কথা বলতে ভালোবাসেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা প্রকাশ্যে আসেন না তিনি আর সেই অভ্যাস থেকেই জীবনের বড় সিদ্ধান্তটাও রেখেছিলেন আড়ালেই। ডিসেম্বরে বিয়ের জল্পনা চললেও, বিষয়টি নিয়ে নিজে কখনও বাড়তি আলোচনায় যাননি। কাজের ফাঁকেই, শান্তভাবে নিজের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন তিনি, এমনটাই খবর ঘনিষ্ঠ মহলে।

তাঁর এই স্বভাবসিদ্ধ সংযত মনোভাবই বরাবর আলাদা করে চিহ্নিত করেছে তাঁকে টেলিপর্দার অন্য অনেক মুখের ভিড়ে। প্রসঙ্গত, দ্বীপান্বিতার জীবনসঙ্গী গৌরব দত্ত বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত নন। পেশায় পশুচিকিৎসক গৌরবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল অনেকটাই পোষ্যপ্রেমের সূত্রে। দীর্ঘদিনের পরিচয় এবং বোঝাপড়ার পরই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন দুজনে। বিয়ের আয়োজনেও ছিল সেই সরলতা, ঘনিষ্ঠ মানুষদের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন পথচলা শুরু।

উল্লেখ্য, কাজের দিক থেকে এই মুহূর্তে দ্বীপান্বিতা যথেষ্ট ব্যস্ত সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। স্টার জলসার ‘সাঁঝের বাতি’ দিয়ে ছোটপর্দায় যাত্রা শুরু হলেও, পরবর্তীতে ‘খুকুমণি হোম ডেলিভারি’ তাঁকে ঘরের মেয়ে করে তোলে। চরিত্রের স্বাভাবিকতা আর অভিনয়ের সাবলীলতায় দর্শকের মন জয় করেছেন তিনি বারবার। শোনা যাচ্ছে, নতুন এক ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় আবার ফিরতে চলেছেন স্টার জলসার পর্দায়! কিন্তু জানেন কি অভিনেত্রীর অভিনয় জীবন শুরুর গল্পটা?

অভিনেত্রীর জন্ম কোলকাতাতেই, তবে বেড়ে ওঠা অন্য রাজ্যে। ক্লাস্ট টু পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করার পর, বাবার বদলির চাকরির জন্য ঝাড়খন্ডে চলে যেতে হয়। সেখানেই ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত পড়ে আবার কলকাতায় মায়ের সঙ্গে ফিরে আসেন তিনি। এখানে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। এদিন অভিনেত্রী জানিয়েছেন, “রবীন্দ্রভারতীর দোল উৎসব কতটা জনপ্রিয় সেটা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না! প্রতি বছর আমার ওই সময়ের ছবি খুব ভাইরাল হতো।

সেই বছর তো এতটাই ভাইরাল হয়েছিল যে, আমার ছবিতে এডিট বানিয়ে গুড নাইট বা গুড মর্নিং ম্যাসেজ পাঠাতো সবাই। সেখান থেকে প্রথম প্রযোজনা সংস্থার ডাক আসে ‘সাঁঝের বাতি’ ধারাবাহিকে অডিশনের জন্য। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, আমাকেই মুখ্য চরিত্র ‘চারু’ হিসেবে ভেবেছিল প্রযোজনা সংস্থা। পরে নেতিবাচক চরিত্র ‘চুমকি’ হিসেবে আমায় বেশি মানাচ্ছে বলে…সেখান থেকেই আমার শুরু।” চরিত্র যেমনই হোক, অভিনয় গুণেই যে নিজের পরিচিত তৈরি করা যায়, এটাই শিখিয়ে দিলেন দ্বীপান্বিতা।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page