জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

[rank_math_breadcrumb]

Bangla Serial

ব্যাচেলর পার্টিতে অন্য মেয়ের সঙ্গে ফুর্তি! গিনি রূপকে ফোন করতেই অন্য মেয়ের গলা পেল! সন্দেহই কি শিক্ষা দেবে গিনিকে?

জি বাংলার পর্দায় (Zee Bangla) এই মুহূর্তে দর্শকদের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul)। এই ধারাবাহিকটিতে শুরুর দিকের গল্প খুব‌ই মন্থর গতিতে এগোলেও এই মুহূর্তে কিন্তু বেশ ধামাকা হচ্ছে এই ধারাবাহিকে। একের পর এক টানটান উত্তেজনা পূর্ণ পর্ব এসে চলেছে এই ধারাবাহিকে।

উল্লেখ্য, মেঘ ময়ূরীর এই দ্বন্দ্বে বর্তমানে কিন্তু বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মেঘ। দিদির সমস্ত অপরাধের সুযোগ্য জবাব দিয়েছে সে। এমনকি নীলের সামনে ময়ূরীকে তার ভুল কবুল করতেও বাধ্য করিয়েছে মেঘ। সে আর আগের মতন দুর্বল নেই। জীবনের প্রতিটা পর্যায়ে ধাক্কা খেয়ে সে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে।

এই ধারাবাহিক এখন রূপ এবং গিনির বিবাহ পর্ব দেখানো হচ্ছে। রূপ মেঘের পাড়ার ছেলে। অত্যন্ত চরিত্রহীন। নিজের ননদের জীবন যাতে বিষিয়ে না যায় সেই জন্য রূপের হাত থেকে বারবার গিনিকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ময়ূরীর ষড়যন্ত্রে নিজের শ্বশুরবাড়ির সবার সামনে অপদস্থ হতে হয় মেঘকে। আত্মসম্মানে বলীয়ান হয়ে নিজের শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে চলে আসে মেঘ। এমনকি নীলকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত‌ও নিয়ে নেয় সে।

যদিও মেঘ নীলের সামনে নিজের দিদিকে দিয়ে এটা স্বীকার করাতে সক্ষম হয়েছে যে রূপ ভালো ছেলে নয়। কিন্তু গিনি রূপকে বিয়ে করার জন্য পাগলপ্রায়। সে কারোর কথাই শুনছে না। এমনকি নিজের দাদা, নীলকেও সে বিশ্বাস করছে না। ভালো কথায় যখন কোন কাজ হয়নি তখন সে নিজের মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে বাড়ির সবাইকে এই বিয়ের জন্য রাজি করায়।

তবে এই প্রথমবারের মতো গিনির মনে রূপের প্রতি সন্দেহ তৈরি হতে চলেছে।এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে হতে চলেছে জমজমাট। নিজের ঘরে এসে রূপকে ফোন করে গিনি। কিন্তু তখন নিজের অন্য গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে মজা করতে ব্যস্ত রূপ। বিরক্তি সহকারে গিনির ফোন রিসিভ করে রূপ। কিন্তু সেই সময় হয়ে যায় একটা গন্ডগোল। রূপ যখন গিনির সঙ্গে কথা বলছিল ঠিক তখন পাস থেকে অন্য কারোর সঙ্গে ফোনে কথা বলে ওঠে রূপের গার্লফ্রেন্ড। আর তার গলাটা শুনতে পেয়ে যায় গিনি। রূপ কী তবে কোন‌ও মেয়ের সঙ্গে রয়েছে? এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলেও কোনো সদুত্তর পায়না গিনি। কী হবে এবার?

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page