জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

এত অপরাধের পরও শাস্তি নয়, জামিন! উজি ও নিশার প্ল্যানে হাতেনাতে ধরা পড়েও আদালতের রায়ে বেঁচে গেল, তবে ম’রবে এবার নিয়তির বিচারে! সায়ন্তনের নতুন ট্র্যাক দেখে ক্ষুব্ধ ‘জোয়ার ভাঁটা’র দর্শক, মা’রণ রো’গের কথা জেনেও মিলছে না সহানুভূতি!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’য় (Jowar Bhanta) সায়ন্তন চরিত্রকে ঘিরে নতুন মোড় এলেও তা দর্শকদের একাংশের একেবারেই পছন্দ হচ্ছে না। কয়েকদিন আগেই ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল, নিশা ও উজির পরিকল্পনায় সবার সামনে সায়ন্তনের একের পর এক অপরাধ প্রকাশ্যে আসে। খেয়ার উপর দীর্ঘদিনের অত্যাচার, নিশাকে গুলি করার ঘটনা এবং নানা প্রমাণ সামনে আসার পর দর্শকদের ধারণা ছিল এবার কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে সে। কিন্তু গল্প অন্যদিকে মোড় নেওয়ায় ক্ষোভ জমতে শুরু করেছে সমাজ মাধ্যমে।

ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে দেখা যায়, পুলিশ সায়ন্তনকে গ্রেফতার করলেও পরে আদালতের নির্দেশে সে জামিন পেয়ে যায়। শুধু তাই নয়, খেয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ক্ষেত্রেও কোনও বাধা তৈরি হয় না। এই ঘটনাই দর্শকদের সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে। অনেকের বক্তব্য, ধারাবাহিকে ইতিমধ্যেই এমন বেশ কিছু প্রমাণ দেখানো হয়েছে যা একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথেষ্ট শক্তিশালী বলে মনে হওয়ার কথা। নিশাকে গুলি করার সময় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা জুতো, সেই জুতোর সঙ্গে সায়ন্তনের যোগসূত্র এবং পায়ের ছাপের ভিত্তিতে পাওয়া ডিএনএ রিপোর্টের মতো তথ্য দেখানোর পরও

কেন সে এত সহজে মুক্তি পেল, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার। শুধু আদালতের সিদ্ধান্ত নয়, ধারাবাহিকের কিছু সংলাপ নিয়েও আপত্তি তুলছেন দর্শকরা। পর্দায় দেখা যাচ্ছে, পরিবারের কিছু প্রবীণ সদস্য বিষয়টিকে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়া বলে ব্যাখ্যা করছেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংসারে অশান্তি হতেই পারে, তাই বলে কাউকে গ্রেফতার করা উচিত নয়। এই ধরনের সংলাপ অনেক দর্শকের কাছেই গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনকে সাধারণ পারিবারিক বিবাদ হিসেবে দেখানো ঠিক বার্তা দিচ্ছে না।

এর মধ্যেই গল্পে যোগ হয়েছে আরও একটি নতুন মোড়। জানা গেছে, সায়ন্তনের মস্তিষ্কে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। কিন্তু এই ট্র্যাকেও দর্শকদের বড় অংশ সহানুভূতি দেখাতে রাজি নন। বরং তাঁদের অভিযোগ, এতদিনের অপরাধের পর চরিত্রটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেকেই লিখছেন, অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই খেয়ার মন নরম হয়ে যাচ্ছে, যা বাস্তবসম্মত বলে মনে হচ্ছে না। ফলে চরিত্রটির প্রতি বিরক্তি আরও বেড়েছে বলেই দাবি করছেন দর্শকদের একাংশ। সমাজ মাধ্যমে এখন সবচেয়ে বেশি ঘুরে বেড়াচ্ছে দর্শকদের ক্ষোভভরা মন্তব্য।

কেউ লিখেছেন, “আদালতে কিসব সেক্যুলার আইন, নিশাকে গুলি করার ভিডিওতে পড়ে থাকা জুতো, সেই জুতো প্রমাণ হিসেবে উপস্থিত আর ঐ জুতোর পায়ের ছাপ থেকে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট, এই তিনটা প্রমাণ ই তো একজন আসামীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!” আবার কারও বক্তব্য, “যে স্ত্রীকে এত টর্চার করল সেই স্ত্রীর কাছে যেতে পার্মিশন দিল!” অন্য একজন লিখেছেন, “এসব সুযোগ নিয়ে সায়ন্তন এখন সিম্প্যাথি পেতে অসুস্থতার নাটক করছে, খেয়া আবার ও গলে যাচ্ছে, বিরক্ত লাগছে!” সব মিলিয়ে দর্শকদের প্রশ্ন একটাই, সায়ন্তনের এই অধ্যায় আর কতদিন চলবে?

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page