জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

[rank_math_breadcrumb]

Bangla Serial

ঝিনুককে নতুন অধ্যায়ের জন্য সাহস জোগালেও কমলার নিজের জীবনে লুকিয়ে রয়েছে এক বি’স্ফোরক কঠিন সত্যি! সেই গোপন তথ্য কি ওলটপালট করে দেবে সবার জীবন? টুইস্টের পর টুইস্ট, জমে উঠছে ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্ব!

জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) একের পর এক নতুন ঘটনার মধ্য দিয়ে গল্প আরও জমে উঠছে। আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, পল্লবীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। কমলার সঙ্গে কথা বলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ পল্লবীকে দেখতে পায় আদিত্য। তাকে দেখেই কিছুক্ষণের জন্য থেমে যায় সে এবং বারবার তার দিকেই তাকিয়ে থাকতে থাকে। বিষয়টি মোটেই ভালোভাবে নেয় না পল্লবী। আদিত্যের এই আচরণে বিরক্ত হয়ে সে সরাসরি প্রতিবাদ করে। এমনকি প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নেওয়ার কথাও জানিয়ে দেয় পল্লবী।

এই ঘটনার পর দু’জনের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে দর্শকদের মধ্যে। অন্যদিকে, পল্লবীর বিয়ে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির প্রভাব এখনও টাটকা কমলার মনে। বাড়িতে ফিরে রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত থাকলেও মন যেন অন্য কোথাও পড়ে আছে তার। অন্যমনস্ক অবস্থায় গরম চাটুতে হাত দিতেই যাবে, ঠিক সেই সময় বীণা এসে তাকে থামিয়ে দেয়। অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়িয়ে যায়। ঘটনার পর বীণা বুঝতে পারে, কমলার মনে এখনও কোনও অজানা ভয় কাজ করছে। পরে কমলা নিজের উদ্বেগের কথা খুলে বললে বীণা তাকে অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।

তার সঙ্গেই ঝিনুকের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হতে বলে। এদিকে পর্বের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে দেখা যায়, কমলা তার ছোট ছেলে এবং বৌমাকে নিয়ে ছেলের শ্বশুরবাড়িতে নিমন্ত্রণ করতে যায়। বেশ আনন্দের সঙ্গেই সেই কাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু এরই মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে একটি বড় রহস্য। আদিত্য যে আসলে ওই পরিবারেরই সন্তান, সেই সত্য এখনও কমলার অজানা। পরিবারের বাকিরাও বিষয়টি প্রকাশ করেনি। ফলে ভবিষ্যতে এই গোপন তথ্য সামনে এলে সম্পর্কের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে ঝিনুককে ঘিরেও আবেগঘন মুহূর্ত দেখা যায়। বিয়ের পর নিজের পরিচিত পরিবেশ, প্রিয় মানুষদের ছেড়ে অন্য বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা ভেবেই মন খারাপ হয়ে যায় তার। পরিবারের সবাই তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে জীবনের এই পরিবর্তনটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে শ্রীনিবাস ঝিনুককে আশ্বাস দেয়, এই বাড়ির দরজা তার জন্য সবসময় খোলা থাকবে এবং সম্পর্কের শিকড় কখনও বদলে যায় না। তার কথায় কিছুটা ভরসা পায় ঝিনুক।

ঝিনুকের মন খারাপ আরও কমানোর চেষ্টা করেন কমলাও। তিনি মেয়েদের শক্তি এবং দায়িত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, একটি মেয়েই একসঙ্গে দুই পরিবারকে সামলানোর ক্ষমতা রাখে। তাই নতুন জীবনের কথা ভেবে ভেঙে না পড়ে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। একদিকে কমলার মনের ভয়, অন্যদিকে আদিত্যকে ঘিরে লুকিয়ে থাকা বড় সত্য এবং ঝিনুকের জীবনের নতুন অধ্যায় মিলিয়ে ‘কমলা নিবাস’-এর গল্প এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page