জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

ঝিনুকের গায়ে হলুদে বড়সড় অঘট’ন! সকলের সামনে পল্লবীকে হলুদ ছোঁয়ানো থেকে আটকে দিল আদিত্যর বড় বৌদি, কিন্তু কেন? পরিচয় ফাঁস হতেই বড় সংকট, ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্বে নতুন মোড়!

জি বাংলার ‘কমলা নিবাস’-এর (Kamala Nibas) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, পল্লবী যে কমলা কাকিমার মেয়ে এটা জানতে পেরে আদিত্য খুব খুশি হয় এবং মনের আনন্দে হাতে ফুল নিয়ে নাচ করতে শুরু করে। এদিকে তার দিদি হাতে ফোন নিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে আদিত্যর সামনে চলে আসে। যে ভাই কোনদিনও তার শ্বশুরবাড়িতে পা রাখবে না বলেছিল, তাকেই ননদের বিয়েতে দেখে কিছুটা অবাক হয় সে।

আদিত্য এখানে কি করছে জানতে চাইলে, সে উল্টে প্রশ্ন করে যে নিজের ননদের বিয়ে ছেড়ে তার দিদি এই বিয়ে বাড়িতে কি করছে? দিদি ভাবতে থাকে আদিত্যর মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে। তারপর বৌদিকে দেখে আলাপ করায় আদিত্যর সঙ্গে কিন্তু বৌদির মুখও দেখে না আদিত্য। যদিও বৌদি চিনতে পারে আদিত্যকে। এরপর সেখান থেকে পল্লবীকে যেতে দেখে, তাড়াতাড়ি করে পল্লবীকে ডেকে এনে আদিত্যর সামনে দাঁড় করায় তার দিদি।

এরপর সে বলে, যার বিয়ে হচ্ছে সে ছোট ননদ ঝিনুক আর এটা তার মেজ ননদ পল্লবী। নাম শোনা মাত্রই চমকে উঠে মুখের দিকে তাকায় আদিত্য। পল্লবী এবং আদিত্য দু’জন দু’জনকে দেখে অবাক হয়ে যায় এবং বুঝতে পারে কতটা জটিল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে তারা! আদিত্য এরপর জানতে চাই কমলা কাকিমা কে হয় তার দিদির? উত্তরের দিদি বলে পল্লবী এবং ঝিনুকের মা অর্থাৎ তার শাশুড়ি মা হয় কমলা। এটা শোনার পর আদিত্যর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়।

ওদিকে ঝিনুকের বিয়ের দিন খুব আগলে আগলে রাখলেও হোস্টেলে যাবার নাম করে রন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। দুশ্চিন্তা করতে থাকেন তার মা, যে ছেলে আবার বিয়ে বাড়িতে গিয়ে কোনও অশান্তি না সৃষ্টি করে। এদিকে সানি আর সুপর্ণা মিঠিকে ফিরে পাওয়ার জন্য নানান ফন্দি করতে থাকে। এমনকি সানি আদিত্যর বাবার সঙ্গেও এই ব্যাপারে কিছু চুক্তি করবে ঠিক করে। এদিকে আদিত্য ভেঙে পড়েছে সব সত্যিই জানতে পেরে, বন্ধুরা সাহায্য করার জায়গায় উল্টে তাকে আরও সমস্যার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

এমন সময় মিঠির আবদারে আঙ্কেলকে ফোন করতে বাধ্য হয় পল্লবী। পল্লবী ফোন করতেই আদিত্য জানায় যে যে খুব বড় সমস্যায় পড়েছে যে বাড়ির মেয়েকে সে ভালোবেসেছে সেই বাড়ি তার শত্রু, এবার কি করবে বুঝতে পারছে না। পল্লবী তাকে অনেক ভালো করে বোঝার যে মানুষের জীবন অনিশ্চিত, ভালোবাসা কপালে না থাকলে পাওয়া যায় না। তাই ওকে কোন শত্রুতার জন্য ছেড়ে দেওয়া মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। আদিত্য আশ্বস্ত হয় এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে।

শেষে দেখা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হয়। যেহেতু সম্রাটের কেউ নেই তাই আদিত্যর মা বাবাই পাত্রপক্ষের সমস্ত দায়িত্ব পালন করে। ঝিনুককে উপহার দেওয়া থেকে শুরু করে গায়ে হলুদের সমস্ত রীতিনীতি পালন করছে তারা। সম্রাট গায়ে হলুদ লাগাতে চায়না কিন্তু অনেক অনুরোধের পর সে লাগায়, এরপরে ঝিনুককে নিয়ে আসা হয়, একে একে বড়রা সবাই ঝিনুককে হলুদ লাগানোর পর পল্লবী যেই হলুদ লাগাতে যায় অমনি আদিত্যর বড় বৌদি আটকে দেয় পল্লবীকে! কী কারণ? জানা যাবে পরবর্তী পর্বে।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page