জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

সম্রাটের ওয়ালেট ঘাঁটতেই কি খুলে গেল অতীতের দরজা? রাজুর একের পর এক রহস্যময় ইশারায় অস্থির সম্রাট! ছোটবেলার সেই অপরাধের সাক্ষী কি ফিরে এসেছে অন্য পরিচয়ে? ‘কমলা নিবাস’-এ বাড়ছে রহস্য! সব উত্তর মিলবে আজকের পর্বেই?

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) গল্প যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক রহস্য সামনে আসছে। আজকের পর্বে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে সম্রাটের আচরণ। রাজুকে সামনে দেখলেই তার মধ্যে যে অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে, সেটা এদিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রথমে সম্রাট নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, রাজুর অতীতের কোনও ঘটনাই তার মনে থাকার কথা নয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ধারণা ভেঙে যায়। রাজুর আচরণ বুঝিয়ে দেয়, সম্রাটের সঙ্গে তার অতীতের কোনও গভীর যোগ রয়েছে, আর সেই ইঙ্গিতই সম্রাটকে ভেতর থেকে ভয় পাইয়ে দেয়।

পর্বের শুরুর দৃশ্যে দেখা যায়, রাজু আচমকা সম্রাটের ঘরে ঢুকে তার ওয়ালেট ঘাঁটতে শুরু করে। বিষয়টি দেখে সম্রাট প্রথম থেকেই অস্বস্তিতে পড়ে যায়। পরে রাজু ইশারায় এমন কিছু বোঝানোর চেষ্টা করে, যা ঝিনুক সম্রাটের সামনে স্পষ্ট করে দেয়। ঝিনুকের মুখে সেই ইশারার অর্থ শোনার পর সম্রাট বুঝতে পারে, অতীতের সত্য হয়তো আর বেশিদিন চাপা থাকবে না। সেই ভয় থেকেই সে আর গুহ বাড়িতে থাকতে চায় না। ঝিনুককে সঙ্গে নিয়ে তড়িঘড়ি গাড়িতে উঠে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিন রাজু ও ঝিনুকের একটি আবেগঘন মুহূর্তও দেখা যায়, দুই ভাইবোনকে একে অপরের কাছে আসতে দেখে যেখানে স্বাভাবিকভাবে খুশি হওয়ার কথা, সেখানে সম্রাটের মুখে ছিল স্পষ্ট অস্থিরতা। তার চোখেমুখে ফুটে ওঠে আতঙ্ক আর অস্বস্তি। কারণ সে এখন বুঝে গিয়েছে, রাজুই সেই অর্জুন, যাকে সে বহু বছর আগে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল। ফলে ভাইবোনের এই মিলন তার কাছে শুধু একটি পারিবারিক মুহূর্ত নয়, বরং নিজের অতীতের অপরাধ সামনে চলে আসার আশঙ্কা।

এরপর সম্রাটরা গাড়িতে উঠে রওনা দিতেই রাজু একটি টিফিন বাক্স হাতে প্রাণপণে ছুটতে শুরু করে। কেন সে এমন করল, প্রথমে কেউ না বুঝতে পারলেও পরে স্পষ্ট হয়ে যায় যে ঝিনুকের খুব পছন্দের নারকেল নাড়ু সে না নিয়েই চলে গেছে যেটা রাজু একমাত্র লক্ষ্য করেছে। যদিও ছোটবেলায় রাজু, অর্থাৎ অর্জুনকে জলে ফেলে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল সম্রাট। সেই অতীত তার মনে আছে কিনা সেটা স্পষ্ট নয় এখনও। এদিকে পল্লবী আদিত্যকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় পল্লবী।

সেখানে ডাক্তার যখন পল্লবীর সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত, সেই সুযোগে আদিত্য বারবার পল্লবীর হাত ধরে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করে! পল্লবী কড়া চোখে তাকাতেই সে আবার ভয়ে হাত ছেড়ে দেয়। পুরো ঘটনাটি দেখে চিকিৎসক জানতে চান, বউয়ের হাত ধরতে এতো ভয় পাচ্ছে কেন সে? ডাক্তারের এই মন্তব্য শুনে পল্লবীর বিরক্তি প্রকাশ করে। ফলে একদিকে যেমন সম্রাট-রাজুর রহস্য আরও গভীর হচ্ছে, অন্যদিকে পল্লবী ও আদিত্যর সম্পর্কেও নতুন পরিস্থিতির সূচনা হতে চলেছে। আগামী পর্ব বলে দেবে, গল্প কোনদিকে মোড় নিচ্ছে।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page