সাপের কামড়ে রূপমঞ্জুরীর মৃত্যু হয়েছে বলে গল্পে দেখানো হলেও সেই সত্য নিয়েই এবার তৈরি হচ্ছে নতুন রহস্য। অন্যদিকে গোরা অদ্বিতীয়াকে নিজের স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে। দিতি স্মৃতিভ্রংশে ভুগলেও তার আচরণে বিশেষ বদল নেই, তাই মাঝেমধ্যেই সে নিজের আসল রূপ প্রকাশ করে ফেলে। এতে গোরার আশপাশের অনেকের মনেই সন্দেহ দানা বাঁধে যে দিতি আসলে রূপ নয়।
এই সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় যখন দিতির নিখোঁজ হওয়ার বিজ্ঞাপন ছাপা হয় পাড়ায়। বিজ্ঞাপন দেখে আতঙ্কে পড়ে যায় গোরা। তার ভয়, যদি কেউ রূপের মৃতদেহ খুঁজে পায়, তাহলে সব মিথ্যে সামনে চলে আসবে। তখন প্রকাশ পেয়ে যাবে যে দিতি তার স্ত্রী নয়। দুশ্চিন্তায় ভুগতে ভুগতেই তিন সন্ন্যাসীর সঙ্গে দেখা হয় গোরার।
সন্ন্যাসীরা গোরাকে জানায়, গঙ্গাসাগরের কাছে রতনপুর শ্মশানে একটি গাছের তলায় নাকি রূপের দেহ রয়েছে। এই খবর শুনে গোরা আর সময় নষ্ট না করে তড়িঘড়ি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। সে বুঝতে পারে না, আড়াল থেকে সব কথা শুনে দিতিও লুকিয়ে তার সঙ্গে রওনা দেয়। সত্য জানার তাগিদেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সে।
এখন প্রশ্ন একটাই, রূপের মৃতদেহ দেখলে কি দিতির সব স্মৃতি ফিরে আসবে। নাকি সামনে আসবে আরও বড় কোনও সত্য। গল্পের আগামী পর্বে এই রহস্যই নতুন উত্তেজনা তৈরি করবে। এর মধ্যেই গোরার মন থেকে দিতিকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে না পারার দ্বন্দ্ব আরও গভীর হয়।
আরও পড়ুনঃ এবার বড় পর্দায় পদার্পণ সেই ছোট্ট “ভুতু”র! শিশু নি’র্যাতনের বিরুদ্ধে সাহসী প্রতিবাদ! কোন কোন অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা যাবে এই চলচ্চিত্রে?
তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকে এই নতুন টুইস্টে গল্প আরও জমে উঠেছে। এই মেগায় প্রথমবার জুটি হিসেবে দেখা যাচ্ছে বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও পল্লবী শর্মাকে। সামনে দেখা যাবে, সংসার ত্যাগ করে ঈশ্বরের খোঁজে বেরিয়ে পড়বে গোরা। বারাণসীর ঘাটে অদ্বিতীয়ার সঙ্গে তার দেখা হলেও তখন সে সন্ন্যাস গ্রহণ করেছে এবং অদ্বিতীয়াকে চিনতেও পারবে না। গোরার জীবনের এই মোড়ই এখন দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রে।
