জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

আগেই হারিয়েছেন শ্রবণশক্তি! এবার হারানোর পথে হাঁটার ক্ষমতাও? চার দশক বলিউড কাঁপানো গায়িকা অলকা ইয়াগ্নিকের শারীরিক অবস্থা দেখে চোখে জল নেটপাড়ার

জনপ্রিয় গায়িকা অলকা ইয়াগ্নিকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনুরাগীরা। কিছুদিন আগেই তিনি জানিয়েছিলেন যে বিরল এক সমস্যার কারণে তাঁর শ্রবণশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছে। এবার পদ্মভূষণ সম্মান গ্রহণের অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠিত পদ্ম পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অলকা ইয়াগ্নিককে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি ভিডিও এবং ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, মঞ্চে ওঠার সময় নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁর হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তিনি ধীরে ধীরে হাঁটছেন।

Alka Yagnik, hearing loss, sensorineural hearing loss, Bollywood singer health, Amar Singh Chamkila, AR Rahman, Padma Bhushan, Indian singer news, celebrity health update, viral infection hearing loss, অলকা ইয়াগনিক, শ্রবণশক্তি হ্রাস, কানের রোগ, বলিউড গায়িকা, অমর সিং চমকিলা, এ আর রহমান, পদ্মভূষণ, সেলিব্রিটি স্বাস্থ্য, ভাইরাল সংক্রমণ, সংগীত জগত

এই দৃশ্য দেখেই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু শ্রবণশক্তির সমস্যাই নয়, অলকা কি হাঁটাচলাতেও অসুবিধার মুখে পড়েছেন? তবে এ বিষয়ে গায়িকা বা তাঁর পরিবারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ফলে তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েছেন বলে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, শারীরিক দুর্বলতা কিংবা ভারসাম্য রক্ষার সমস্যা থাকলেও অনেক সময় অন্যের সহায়তা নিতে হয়। অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা অতিরিক্ত সতর্কতার কারণেও কাউকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তাই শুধুমাত্র ভিডিও দেখে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

উল্লেখ্য, গত বছর অলকা ইয়াগ্নিক নিজেই জানান যে ভাইরাল সংক্রমণের পর তিনি বিরল ধরনের সেন্সরিনিউরাল হিয়ারিং লসে আক্রান্ত হয়েছেন। সেই কারণে তাঁর শ্রবণশক্তি অনেকটাই কমে গিয়েছে। স্বাস্থ্যগত সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেও দেশের অন্যতম বড় সম্মান গ্রহণ করতে তাঁর উপস্থিতি অনুরাগীদের কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page