রাজনীতির ময়দানে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার সম্পূর্ণ অন্য পরিবেশে দেখা গেল বাংলার বিভিন্ন দলের পরিচিত নেতাদের। দেব সঞ্চালিত ‘দাদাগিরি’র বিশেষ পর্বে একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী, মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, সজল ঘোষ, কৌস্তভ বাগচি এবং মোস্তাফিজুর রহমান। এই পর্ব ঘিরে এখনও দর্শকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
অনুষ্ঠানে দারুণ পারফরম্যান্স করে চ্যাম্পিয়ন হন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী। পরে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, দাদাগিরি থেকে মোট ৩০ হাজার টাকা পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ৫ হাজার টাকা ছিল এপিসোড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এবং ২৫ হাজার টাকা দ্রুত পয়েন্ট পাওয়ার কারণে। এছাড়াও পেয়েছেন কয়েকটি উপহার।
এই টাকা ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করবেন, তা পরে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন নওশাদ। তবে দাদাগিরির মঞ্চে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের একসঙ্গে দেখে তিনি যে বার্তা দিয়েছেন, সেটিই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নওশাদের কথায়, বড় রাজনৈতিক নেতারা সাধারণত মারপিট করেন না, বরং নিচুতলার নেতাদের মধ্যেই অনেক সময় সংঘর্ষ দেখা যায়। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে সৌহার্দ্য বজায় রাখা সম্ভব, দাদাগিরির সেই বিশেষ পর্বে উপস্থিত নেতাদের আচরণেই তার ছবি মিলেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
আরও পড়ুনঃ “নাচ যতটা ছুঁয়ে যায়, অভিনয় ততটা পারছে না!” “চেষ্টা ভালো কিন্তু অভিনয় পারেন না, একেবারেই জমছে না!” নাচে মুগ্ধতা থাকলেও অভিনয়ে হতাশ দর্শক! ‘বাঘিনী’ সম্পিতা প্রামাণিককে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, “নতুন প্রতিভাদের ভিড়ে এরপর কি আর দেখা পর্দায় যাবে?”
রাজনীতির বাইরে এই কুইজের মঞ্চে সকলের সঙ্গে নওশাদের সহজ সম্পর্কও দর্শকদের নজর কেড়েছে। প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত জয়ী হওয়ার পাশাপাশি তাঁর বক্তব্যও এখন সমাজমাধ্যমে আলোচনার বিষয়। রাজনৈতিক লড়াই আলাদা হলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায় ভিন্ন ছবি দেখা যেতে পারে, দাদাগিরির এই বিশেষ পর্ব যেন সেই বার্তাই তুলে ধরল।
