জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

এমন চ’ড় মে’রেছিলেন হিরো যে নষ্ট হয়ে যায় চোখ! তার মৃ’ত্যুতেও ঘিরে ছিল গভীর ক’ষ্ট! জনপ্রিয় অভিনেত্রীর করুণ পরিণতি জানলে চোখ ভিজবে আপনারও

বলিউডে নিজের অভিনয় ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে একসময় দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী পারভিন ববি। তবে তাঁর জীবনের পথ মোটেও সহজ ছিল না। কেরিয়ারের শুরুর দিকে একটি দুর্ঘটনায় চোখে গুরুতর আঘাত পান তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর আবারও কাজে ফিরে আসেন এবং পরবর্তী সময়ে বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

সত্তর ও আশির দশকে একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে পারভিন ববি হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় মুখ। অমিতাভ বচ্চন, শশী কাপুর, ধর্মেন্দ্র, ফিরোজ খানসহ সেই সময়ের বহু জনপ্রিয় অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেন তিনি। আধুনিক ভাবনা, আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি এবং গ্ল্যামারাস ইমেজ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়।

তবে সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও একাধিক কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হয় অভিনেত্রীকে। মানসিক ও শারীরিক নানা সমস্যার কারণে ধীরে ধীরে তিনি চলচ্চিত্র জগত থেকে দূরে সরে যান। জীবনের শেষ কয়েক বছর তিনি অনেকটাই একা থাকতেন এবং জনসমক্ষে খুব কমই দেখা যেত তাঁকে।

১৯৪২ সালে, ‘জঙ্গ আজাদি’ ছবির শুটিং চলাকালীন তাঁর জীবনে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। একটি দৃশ্যে ভগবান দাদা তাঁর কানের নীচে এত জোরে চড় মারেন যে তাঁর একটি চোখের স্নায়ু ফেটে যায়। এরপর চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় তাঁর মুখমণ্ডল অবশ হয়ে যায়। এই আঘাতের ফলে তাঁর একটি চোখ ছোট হয়ে যায় এবং তিনি প্রায় তিন বছর সিনেমার জগৎ থেকে দূরে থাকেন। নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন থেকে যায় অধরা। ফেরেন চরিত্রাভিনেত্রী হয়ে।

WhatsApp Image 2026 07 30 at 20.14.50

২০০৫ সালের জানুয়ারিতে মুম্বইয়ের জুহুর ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসে। কয়েক দিন ধরে দরজার বাইরে সংবাদপত্র ও দুধের প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ দরজা খুলে তাঁর দেহ উদ্ধার করে। জানা যায়, মৃত্যুর প্রায় তিন দিন পর তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

আজও পারভিন ববির জীবন এবং কেরিয়ার বলিউডের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হিসেবে মনে করা হয়। একদিকে অসাধারণ সাফল্য, অন্যদিকে ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং নিঃসঙ্গ পরিণতি, সব মিলিয়ে তাঁর জীবন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার পাশাপাশি গভীর বেদনার গল্প হয়ে রয়েছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page