জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“এত সোজা হবে না, এইবারের লড়াই অনেক কঠিন…” নির্বাচন মিটতেই হারিয়ে গেল সেই আত্মবিশ্বাস? বিধানসভায় দলীয় ফলাফল নিয়ে চিন্তায়, ভোট দিয়ে বেরিয়েই একি বললেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আজ ২৯ এপ্রিল, পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট দিতে বেরিয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় তৃণমূল সংসদ সদস্য রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যেমন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, তেমনি ভোটের লড়াই নিয়ে নিজের অভিমতও প্রকাশ করেছেন। ভোট দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচন আগের তুলনায় অনেক কঠিন এবং মসৃণ পথ নেই। রাজ্যবাসীর কাছে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার সময় যেন তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান মনে রাখেন।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “এই বছরের লড়াই অনেক কঠিন। একেবারে মসৃণ লড়াই সেটা কিন্তু নয়।” তিনি বলেন, “বিগত কয়েক মাস ধরে আমরা যারা তৃণমূলের কর্মী, সংসদ সদস্য, বিধায়ক, প্রত্যেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, গত কয়েক মাস ধরে তাঁরা সারা রাজ্যে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে একটি একটাই বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন, তা হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা।

রচনা আরও বলেন, “এই কয়েকটা মাস ধরে আমরা একটাই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছতে চেষ্টা করেছি যে, ব্যালট বক্সের সামনে যখন আপনি দাঁড়াবেন ভোট দিতে, তখন একবার হলেও আপনি চিন্তা করবেন যে বিগত ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যের জন্য কতটা পরিশ্রম করেছেন।” তিনি মনে করিয়ে দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এমন নয়, তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পালনও করেছেন। তার এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষও এর সুফল পাচ্ছেন, যা প্রতিদিনের জীবনে দেখা যাচ্ছে।

এই ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা কোনো কিছুরই কমতি রাখছেন না। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও তার দলের প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন রচনা। ওই বছর তিনি বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জয়ী হন। এবারও ভোট প্রচারের কাজ করতে গিয়ে তিনি নিজের কাজের পাশাপাশি ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের দিন তার ভাষণে রাজ্যের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার কথায়, এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাজ্যের উন্নতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে। তাই, তিনি সকল ভোটারদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে, তারা যেন তাদের ভোট দেওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজকর্ম এবং তার অবদান বিবেচনায় নেন।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page