জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

‘বয়সে ছোট, কখনওই তিক্ততা তৈরি হয়নি…সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন্তব্য করাটাই সমস্যার মূল!’ দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিতিপ্রিয়ার বিদায়, নেপথ্যে কারণ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন পর্দার ‘কিংকর’, অভ্রজিৎ চক্রবর্তী!

চিরদিনই তুমি যে আমার–এ দিতিপ্রিয়া রায়ের অধ্যায় শেষ হওয়ায় সিরিয়ালের মহলে যেন অন্যরকম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সোমবার তাঁর বিদায়ের পর থেকেই সেটে একটা শূন্যতা অনুভূত হচ্ছে। অপর্ণা চরিত্রে কে আসবেন, তা নিয়ে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। দর্শক ও টিমের সদস্যরা কৌতূহলী হয়ে অপেক্ষা করছেন নতুন মুখের জন্য।

ধারাবাহিকে যাঁর সঙ্গে দিতিপ্রিয়ার সদা কোল্ড ওয়ার চলত, সেই ‘কিংকর’ অর্থাৎ অভ্রজিৎ চক্রবর্তী কিন্তু বাস্তবে দিতিকে বেশ মিস করছেন। তিনি জানিয়েছেন, দিতিপ্রিয়া বয়সে ছোট, তাই কোনও দিনই তাঁদের মধ্যে তিক্ততা ছিল না। বরং তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেভাবে অযথা মন্তব্য করা হয়, সেটাই সমস্যার মূল। তিনি মনে করেন, এই নাক গলানোর অভ্যাসই অনেক সময় পরিস্থিতিকে অযথা জটিল করে তোলে।

অপর্ণার অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছেন তাঁর পর্দার মা সুচন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, এই বিদায় মোটেই স্বাভাবিক বা কাম্য ছিল না। দর্শকেরাও জিতু–দিতিপ্রিয়া জুটিকেই দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন। তাই দু’জনের মধ্যে কাউকে হারালে গল্পের আবেগ থেকে শুরু করে দর্শকের সংযোগ—সব ক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়ে।

জিতু কমল ও দিতিপ্রিয়ার দ্বন্দ্ব নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। শোনা যায়, জিতুকে সরানোর চেষ্টা হয়েছিল এবং তিনি এনওসিও জমা দেন। পরে দর্শকের চাপের মুখে তাঁকে আবার ফিরিয়ে নেয় চ্যানেল। এরপর দিতিপ্রিয়া মহিলা কমিশন ও ফেডারেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শেষপর্যন্ত শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির কারণ দেখিয়ে তিনিও এনওসি জমা দেন এবং নোটিস পিরিয়ড থেকেও ছাড় চান।

গল্পে এখন অপর্ণা নিখোঁজ, তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে আর্য ও কিংকর। পর্দার এই রহস্যই আগামী দিনে মূল আকর্ষণ হয়ে উঠবে। তবে বাস্তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—নতুন অপর্ণা কে এবং তার উপস্থিতিতে সিরিয়ালের টিআরপি কোন পথে যাবে। দর্শকের চোখ এখন সেদিকেই।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page