Gantchora: বিজয়ার দিনেও বউ-শালির কাছে মার খেয়ে এক কোণে লুকিয়ে রয়েছে গাঁটছড়ার রাহুল!যা হাল হলো দেখলে হাসতে হাসতে পাগল হবেন

সবে পুজো শেষ হয়েছে। রবিবার ছিল লক্ষ্মীপুজো। দুর্গাপুজো আর ঠিক তারপরেই লক্ষ্মী পূজার পরে আবার নতুন করে পুরনো রুটিনে ফিরে যেতে বাঙালির কষ্ট হয় ঠিকই কিন্তু সময়ের কাছে আমরা সকলেই বাঁধা। তাই হাজার কষ্ট হলেও তার মধ্যে আবার নতুন করে আনন্দ খুঁজতে শুরু করে দিই আমরা।

শুধু সাধারণ মানুষ নয় তারকারাও এই সময় আনন্দে মেতে ওঠে নিজেদের মতো করে। কেউ কেউ এই সময় সাধারণ মানুষের মতোই মণ্ডপে মন্ডপে হানা দেয় ঠাকুর দেখতে, আবার কেউ কেউ বছরের অন্য সময় না পারলেও এই সময় ঠিক ফুচকার দোকানে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। সেগুলো এখন মনে মনে ভেবে আবার মিস করার সময় এবং আবার একটা বছরের অপেক্ষার সময় এসে গেছে।

অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়কে আমরা প্রত্যেকেই চিনি। বর্তমানে রাহুল রূপে দর্শকদের কাছে ধরা দিয়েছেন তিনি গাঁটছড়া সিরিয়ালের মাধ্যমে। ধারাবাহিকে তিনি খলনায়ক হলেও বাস্তবে বেশ রসিক মানুষ। শুটিং সেটে সকলের সঙ্গে মজার মজার দুষ্টুমি এবং খুনসুটিতে মেতে ওঠেন তিনি মাঝে মাঝে। তার সঙ্গে আবার পাল্লা দেন শ্রীমা অর্থাৎ অভিনেতার পর্দার স্ত্রী।

এবার আবার এক নতুন মজার ভিডিও সামনে এলো। এই ভিডিওটি অভিনেতা নিজেই শেয়ার করেছেন নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিও দেখে স্পষ্ট এটা শুটিংয়ের ফাঁকে তোলা হয়েছে। বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানানো নিয়ে ভিডিওটা তৈরি করেছেন অভিনেতা।

আসলে পুজোর শেষ দিন অর্থাৎ মায়ের বিসর্জনের পর বাঙালিদের মধ্যে রীতি রয়েছে বিজয় দশমীতে ছোটদের শুভেচ্ছা জানান এবং বড়দের পায়ে প্রণাম করার। সমবয়সীদের সঙ্গে কোলাকুলি করা হয়। অভিনেতাও সেই নিয়ম মেনে শুটিংয়ে সমস্ত বড়দের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন। সমবয়সীদের সঙ্গে করছেন কোলাকুলি।

তবে এ সমস্তটাই অভিনেতার এক্সপেক্টেশন অর্থাৎ আশা। বিজয়ার দিন এমনটাই হবে এটাই ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু বিনিময়ে যেটা জুটলো সেটা হল বউ আর শালির মার। বনি আর দ্যুতির মারের ভয়ে বেচারা রাহুল লুকিয়ে রয়েছে একটা কোণায়। তাকে খুঁজে খুঁজে আবার টেনে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে মেয়েরা। কিন্তু অভিনেতা কিছুতেই যাবেন না। এটাকে তিনি নাম দিয়েছেন রিয়েলিটি অর্থাৎ এটাই তার বাস্তব।

Nira

                 

You cannot copy content of this page