জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“গাছের নিচে পড়ে ছিল ছবিটা…” প্রয়াত অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির প্রতি অসম্মান? জিতু কমলকে পর্দার ‘রাজনন্দিনী’, পায়েল দে’র তোপ! পাল্টা কী প্রতিক্রিয়া দিলেন পর্দার ‘আর্য’?

টলিপাড়ার গুঞ্জনে এবার একটাই নাম জিতু কমল। সম্প্রতি, তিনি এমন এক প্রতিবাদ শুরু করেছেন যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। জিতু, প্রয়াত অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির পাশে নিজের ছবিও রেখে প্রতিবাদ জানান। তবে, তাঁর এই উদ্যোগকে অনেকেই সস্তা প্রচারের জন্য খারাপভাবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে যখন পায়েল দে, চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিকের রাজনন্দিনী অর্থাৎ পর্দায় জিতুর প্রথম স্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ভাষায় জিতুর সমালোচনা করেন।

পায়েল অভিযোগ করেন, জিতু রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ধুলোয় ফেলে চলে গিয়েছেন, যা তাকে অপমানজনক এবং অশোভন বলে মনে হয়েছে। পায়েল দে এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, জিতু যখন তার ছবি রেখে চলে যান, তখন টেকনিশিয়ান স্টুডিওর গাছতলায় রাহুলের ছবিটি পড়ে ছিল। এরপর, অভিনেত্রী জানায়, যীশু সেনগুপ্ত এবং ইন্দ্রাশিস রায় ছবিটি পরম যত্নে তুলে ফোরামের অফিসে রেখেছিলেন। পায়েলের প্রশ্ন, “জিতু কি রাহুলের ছবিটা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন?” তিনি আরও বলেন, “এটা একধরনের অমর্যাদা, যা মেনে নেয়া যায় না।”

তার এই মন্তব্যের পর রূপাঞ্জনা মিত্র, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, এবং বিদিপ্তা চক্রবর্তী তাকে সমর্থন জানিয়ে আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এদিকে, পায়েলের এই অভিযোগের পর অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যও আক্রমণ শানিয়ে লিখেছেন, “জিতু নামের ছেলেটিকে যেদিন দেখতে পাবো, বুঝিয়ে দেবো যে রাহুলদাকে মালা দেওয়ার যোগ্যতা তার নেই।” তার এই বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে, জিতু এই সমস্ত আক্রমণের প্রতি দমে যাননি। তিনি পাল্টা মন্তব্য করেছেন, জানিয়ে দিয়েছেন যে নিজের এবং রাহুলের ছবিগুলো ইচ্ছে করেই রেখে এসেছিলেন।

যাতে ফোরামের কর্মকর্তারা তার অভিযোগের কথা ভুলে না যান। জিতু আরও জানান, তিনি দুই দিন পর যখন ছবিগুলো দেখেন, তখনও ইলেকট্রিক বক্সের ওপর পড়ে ছিল। তার দাবি, এখন কেন এই বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে, সে সম্পর্কে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এটা নিশ্চয়ই কোনো উচ্চতর নির্দেশনার ফলস্বরূপ।” এছাড়া, পায়েলের প্রতিবাদী মনোভাবের প্রতি সম্মান জানিয়ে, জিতু তার বক্তব্যের শেষের দিকে বলেন, “আপনার প্রতিবাদী সত্তাকে আমি সম্মান করি।

তবে যদি আপনার কাছ থেকে আমার কোনো কাজের জন্য কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।” টলিপাড়ার এই বিতর্ক যে আরও জটিল হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই, যেখানে একদিকে জিতুর প্রতিবাদ, অন্যদিকে পায়েলের তীব্র আক্রমণ এবং সহকর্মীদের সমর্থন। এই ঘটনা এখন বিনোদন জগতের অন্যতম প্রধান আলোচনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেশাদারী মনোভাবের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি কিভাবে সমাধান হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page