জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“পাপারাজ্জি? আমি তো ওদের নিজেই খবর দেই!” সব সময়ে ক্যামেরায় ধরা পড়তেই, কৌশল অবলম্বন কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের! নিজের প্রচার করতে ভালোবাসেন, খোলাখুলি করলেন স্বীকার!

বলিউড ও টলিউডের অনেক তারকাই পাপারাজ্জি সংস্কৃতি নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। ক্যামেরার সামনে হঠাৎ উপস্থিত হওয়া বা ব্যক্তিগত মুহূর্ত ধরা পড়া অনেকেরই পছন্দ নয়। তবে সব তারকার মত এক নয়। এই বিষয়ে একেবারে ভিন্ন মত প্রকাশ করলেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানালেন, অনেক সময় তিনি নিজেই পাপারাজ্জিদের ডাকেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁর কোনও অস্বস্তি বা লজ্জা নেই বলেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

একটি সাক্ষাৎকারে কৌশানী বলেন, অনেক সময় পাপারাজ্জিদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছায় না। কখনও ভুল লোকেশন থাকে, আবার কখনও খবরই পৌঁছায় না। সেই কারণে অনেক সময় তিনি নিজেই তাঁদের খবর দেন। তাঁর মতে, এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। বরং তারকারা কোথায় যাচ্ছেন বা কীভাবে হাজির হচ্ছেন, সেই ছবি তুলে ধরার জন্য পাপারাজ্জিরাও কাজ করেন। তাই প্রয়োজন হলে তাঁদের ডেকে নেওয়া তাঁর কাছে স্বাভাবিক বিষয়।

অভিনেত্রীর কথায়, কোনও দিন যদি তিনি বিশেষভাবে সাজেন বা নতুন লুক তৈরি করেন, তখন সেই মুহূর্তটিকে ক্যামেরাবন্দি করতে ইচ্ছে হয়। বিশেষ করে বিমানবন্দরের মতো জায়গায় স্টাইলিশ উপস্থিতি থাকলে তিনি পাপারাজ্জিদের খবর দেন। কারণ নিজের সাজসজ্জা এবং স্টাইল তৈরির পিছনে অনেক সময় ব্যয় করেন তিনি। সেই লুক যদি সামাজিক মাধ্যমে যেমন শেয়ার হয়, তেমনি পাপারাজ্জিদের মাধ্যমেও দর্শকদের কাছে পৌঁছায়, তাতে তিনি খুশি।

কৌশানীর মতে, নিজেকে প্রচার করা বর্তমান সময়ে শিল্পীদের কাজেরই একটি অংশ। তাই তিনি খোলাখুলিভাবেই বলেন যে, তিনি নিজের প্রচার করতে ভালোবাসেন। এই প্রসঙ্গে কয়েক মাস আগে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজারার একটি মন্তব্যও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে তিনি বলেছিলেন, অনেক সময় তারকাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাই পাপারাজ্জিদের খবর দিয়ে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে তখনও বেশ আলোচনা হয়েছিল।

তবে পাপারাজ্জি সংস্কৃতি নিয়ে সব তারকার মত এক নয়। অনেকেই এই প্রবণতা এড়িয়ে চলতে চান। সম্প্রতি জয়া বচ্চন পাপারাজ্জিদের আচরণ নিয়ে প্রকাশ্যে বিরূপ মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছিলেন। টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও একইভাবে এই সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছেন। তিনি বিমানবন্দরের কিছু ছবি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানান, পাপারাজ্জি সংস্কৃতি তাঁর পছন্দ নয় বলেই তিনি নিজের ছবিই নিজে শেয়ার করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page