বিনোদন জগতের শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন সবসময় সাধারণ মানুষের কৌতুহলের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। সম্প্রতি অভিনেত্রী মিমি দত্ত একটি সাক্ষাৎকারে তার দাম্পত্য জীবন এবং সম্পর্কের সূক্ষ্ম দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ার এবং বিভিন্ন চরিত্রের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের জীবনধারার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পর্কের সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন, যা দর্শক ও অনুরাগীদের জন্য নতুন করে কৌতূহলের জায়গা তৈরি করেছে।
মিমি দত্ত দীর্ঘদিন ধরে বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। ছোট পর্দার ধারাবাহিকগুলোর মাধ্যমে তিনি দর্শকের মন জয় করেছেন, যেখানে তার চরিত্রের জটিলতা এবং আবেগপূর্ণ অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। অন্যদিকে বড় পর্দায়ও তিনি বিভিন্ন ধাঁচের চরিত্রে অভিনয় করে প্রমাণ করেছেন যে, তার অভিনয়শৈলী একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে সীমাবদ্ধ নয়। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ যাত্রায় মিমি প্রতিটি চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলার জন্য সময় এবং আবেগ দুটোই দেন।
বিনোদন জগতের চাপ থাকা সত্ত্বেও মিমি তার ব্যক্তিত্বের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দেন। তিনি বলেন, “দাদা আর আমি একই মায়ের ছেলেমেয়ে হলেও সব কথায় সহমত হই না, এটাও একটা ইন্ডিভিজুয়ালিটি, এখানে আনন্দ রয়েছে।” এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তাকে তার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করছে।
মিমি আরও উল্লেখ করেন, কখনও কখনও তিনি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আগ্রহী থাকেন, অন্যদিকে তার স্বামী ওম হয়তো ঘুমোতে চায় সেই ক্ষেত্রে তারা দুজনের ইচ্ছেকেই গুরুত্ব দেয়। আবার দুজনের যখন একসাথে বসে গান শোনার ইচ্ছে হয় তখন একত্রে সেটিকেও উপভোগ করেছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, কোনো পক্ষই অন্যকে জোর করে কিছু করায় না।পারস্পরিক সম্মান এবং স্বাধীনতা বজায় রাখা তার দাম্পত্যের মূল ভিত্তি।
আরও পড়ুনঃ “আগে শাড়িতে ৬টা সেফটিপিন দিতাম, এখন লাগে ১৫টা লাগাই বাধ্য হয়ে!” মঞ্চের না ভুলতে পারা অভিজ্ঞতার জন্য, আজও ভয়ে থাকেন পৌষালী বন্দোপাধ্যায়! কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত, কী জানালেন গায়িকা?
অভিনেত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সম্পর্ক মানে একে অপরের ওপর চাপ সৃষ্টি করা নয়, বরং স্বাধীনতা এবং আনন্দের সমন্বয়। “কোন স্ত্রী ডান দিকে গেলে স্বামীকেও ডান দিকে যেতে হবে এমন নয়,” বলেন মিমি। এই দর্শনই তার সম্পর্ককে শক্তিশালী এবং আনন্দময় করে তুলেছে, যা আধুনিক দাম্পত্যের জন্য একটি উদাহরণস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়।
