জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

বাঙালি রীতিতে বিয়ে হলেও চিরাচরিত সাজ নয়! ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তেই নতুন অধ্যায়ে পা রণজয়-শ্যামৌপ্তির! কবিতায় শুরু হওয়া প্রেম কীভাবে পৌঁছল মণ্ডপে? বিয়ে নিয়ে হবু দম্পতি রয়েছে কী বিশেষ পরিকল্পনা? মধুচন্দ্রিমায় যাচ্ছেন কোথায়?

ভালোবাসার মাসেই জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখতে চলেছেন ‘রণজয় বিষ্ণু’ (Ranojoy Bishnu) এবং ‘শ্যামৌপ্তি মুদলি’ (Shyamoupti Mudly)। আসন্ন ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ এই দিনটিকেই বেছে নিয়েছেন তাঁরা সম্পর্কের নতুন পরিচয়ের জন্য। প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে স্বামী-স্ত্রীর পরিবর্তনের আগে নিজেদের মতো করে কিছু স্মৃতি তৈরি করে নিতে ব্যস্ত দু’জন। বিয়ের আগে কাজের ফাঁকেই শহরের নানা কোণে, কখনও খোলা আকাশের নীচে, তো কখনও ব্যস্ত রাস্তার ভিড়ে, তাঁদের একান্ত সময় কাটানোর মুহূর্ত ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। এই সঙ্গে স্মৃতিচারণও করেছেন প্রেম পর্ব নিয়ে।

প্রসঙ্গত, এই সম্পর্কের শুরুটাও ছিল আলাদা। রণজয় কবিতা লিখে মনের কথা জানিয়েছিলেন শ্যামৌপ্তিকে, আর জবাবও এসেছিল কবিতাতেই! সেই আদানপ্রদানের মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা আর ভালোবাসা থেকে আজকের এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো। একসঙ্গে সিনেমা দেখা থেকে কফি ডেট বা মাটির ভাঁড়ে চা আবার লং ড্রাইভে যাওয়ার ছোট ছোট অভ্যাসে গড়ে উঠেছে তাঁদের সম্পর্কের ভিত। মাঝে পাহাড় সফরও ছিল, তবে শহরের ভিড়ের মধ্যেও একে অপরকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁদের কাছে আলাদা।

কিছুদিন আগেই সমাজ মাধ্যমে তাঁদের সাদাকালো থেকে রঙিন প্রি-ওয়েডিং মুহূর্তগুলোতেও ধরা পড়েছে তাঁদের সহজ স্বাভাবিক সম্পর্ক। মজা থেকে হালকা অভিমান মিলিয়ে সম্পর্কটা খুব বাস্তব। সাম্প্রতিক অসুস্থতার পর রণজয়ের খাওয়াদাওয়া নিয়ে যেমন খেয়াল রাখছেন শ্যামৌপ্তি, তেমনই ভিড়ের মধ্যে বা শুটের ফাঁকে শ্যামৌপ্তির দিকে নজর রেখেছেন রণজয়। একে অপরকে আগলে রাখার এই অভ্যাসই তাঁদের সম্পর্কে যেন আলাদা উষ্ণতা এনে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, তারকা দম্পতির বিয়ের আয়োজনও খুব নির্দিষ্ট পরিকল্পনায়। আলাদা করে সঙ্গীত বা মেহেন্দির অনুষ্ঠান রাখছেন না তাঁরা। একদিনেই সব আচার সম্পন্ন হবে, পুরোপুরি বাঙালি নিয়মে। গোধূলি লগ্নে, সন্ধ্যায় সাত পাক ঘুরবেন দু’জনে আর সাক্ষী থাকবেন ঘনিষ্ঠরা। এদিন শ্যামৌপ্তি লাল শাড়িতে সাজবেন, তবে ঐতিহ্যবাহী বেনারসি নয়! পোশাক ডিজাইন করছেন অনুশ্রী মালহোত্রা, বরবেশও মিলিয়ে নেওয়া হয়েছে কনের সাজের সঙ্গে।

একই দিনে হবে রিসেপশনও। কারণ, বিয়ের পরপরই কাজের ব্যস্ততা অপেক্ষা করছে দু’জনেরই জন্য। তাই আপাতত মধুচন্দ্রিমার নিয়েও কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। তবে সময় পেলেই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। কোথায় যাবেন, তা ঠিক হয়নি এখনও। গন্তব্য যতই অনিশ্চিত হোক, একসঙ্গে পথ চলার সিদ্ধান্তটাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই উপলব্ধিতেই নতুন জীবনের দিকে এগোচ্ছেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। আমাদের শুভকামনা রইলো জুটির জন্য।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page