নন্দনে সম্প্রতি প্রদর্শিত হয়েছে ‘প্রত্যাবর্তন’ এবং ‘দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’ ছবি। সেই উপলক্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাঁরা টলিউডের ভবিষ্যৎ এবং ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।
ইন্ডাস্ট্রির পুরনো নিয়মে পরিবর্তন আসবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে রুদ্রনীল জানান, শিল্পী এবং শিল্পের স্বার্থে যে নিয়ম প্রয়োজন, সেটাই মেনে চলা হবে। তাঁর দাবি, এতদিন অনেক নিয়ম জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন সিসিআই-এর নির্ধারিত নিয়ম মেনে এবং সকলকে সঙ্গে নিয়েই কাজ এগোবে বলে আশাবাদী তিনি।
নতুন সরকার আসার পর টলিউডে কী ধরনের পরিবর্তন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অনেক কাজ এখনও বাকি রয়েছে। তাঁর মতে, নন্দনের স্ক্রিন ও সাউন্ড সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। সেই সব দিক খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরি করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্বাস ব্রাদার্সের জায়গায় ভবিষ্যতে কারা দায়িত্বে থাকবেন, সেই প্রশ্ন উঠতেই রূপা স্পষ্ট জানান, এমন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে যিনি পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেন, একার সিদ্ধান্ত নয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ হবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, টলিউডে আর কোনও একতরফা সিদ্ধান্ত বা স্বৈরাচারী পরিবেশ চলবে না।
আরও পড়ুনঃ ‘ক্লাইম্যাক্সই শ্যুট হয়নি, তবু পৌঁছে গিয়েছে সেন্সর বোর্ডে’ টলিউডের অন্দরমহলের অভিজ্ঞতা ফাঁস করলেন ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়! সময়ের অভাব আর পরিকল্পনার গাফিলতিতেই কি অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে বাংলা সিনেমা? দর্শকদের প্রত্যাশার কথা কি আর মাথায় রাখছেন না বর্তমান নির্মাতারা?
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর তদন্ত প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি জানান, সরকার পুরোপুরি গঠন না হলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখা হবে। অন্যদিকে টলিউডের তথাকথিত ব্যান কালচার নিয়ে রুদ্রনীল বলেন, ভবিষ্যতে ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ যাতে কাজ থেকে বঞ্চিত না হন, সেই দিকেই নজর দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, টলিপাড়ার পুরনো অচল অবস্থা কাটিয়ে নতুন পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
