জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“কনটেন্টে রিচ আর অর্থের জন্য আমায়ও ব্যবহার করেছিল, জনসমক্ষে নির্দোষকে আবার ‘বলির পাঁঠা’ বানিয়ে দিল!” সায়ক চক্রবর্তীর ‘বি’ফস্টেক’ ভিডিও বিতর্কে, এককালের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী সৌমিতৃষার তীব্র প্রতিক্রিয়া!

টলিউডের পরিচিত মুখ এবং সমাজমাধ্যমে প্রভাবশালী সায়ক চক্রবর্তীর বিফ স্টেক বিতর্ক ঘিরে উত্তেজনা এখনও থামেনি। পার্ক স্ট্রিটের এক রেস্তোরাঁয় ভুল খাবার পরিবেশনের অভিযোগ তুলে তিনি যে ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওর জেরে এক কর্মচারীর গ্রেফতারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে এবং অনেকেই বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত প্রতিক্রিয়া বলে মনে করতে শুরু করেন।

এই পরিস্থিতিতেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু, যিনি একসময় সায়কের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। সরাসরি নাম না নিলেও তাঁর বক্তব্য যে সায়ককে লক্ষ্য করেই, তা স্পষ্ট। তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, কনটেন্টের রিচ বাড়লেই অর্থ আসে আর সেই লোভেই অনেকেই মানুষের অনুভূতিকে ব্যবহার করে। তাঁর দাবি, জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার বানিয়ে অনেকে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করছেন।

সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ আসে ওয়েটারকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে। সৌমিতৃষার মতে, একজন সাধারণ কর্মীকে জনসমক্ষে অপমান করা এবং ধর্মীয় পরিচয় টেনে আনা একেবারেই অমানবিক। তিনি বলেন, সামান্য প্রচারের জন্য কাউকে বলির পাঁঠা বানানো সমাজের অন্ধকার দিককেই সামনে আনে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছে কনটেন্ট নির্মাতাদের ভূমিকা নিয়ে।

বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে যখন পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করেন এবং ডিজাইনার অভিষেক রায়ও সায়কের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে আফসোস প্রকাশ করেন। সেই পোস্টের মন্তব্যে সৌমিতৃষা লেখেন, মানুষ চিনতে ভুল হওয়া অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু আচরণেই আসল চরিত্র প্রকাশ পায়। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হতাশা এবং অতীত সম্পর্কের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

একসময় সায়কের ভ্লগে নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন সৌমিতৃষা, বিশেষ করে মিঠাই ধারাবাহিকের সাফল্যের সময় তাঁদের বন্ধুত্ব নজর কাড়ত ভক্তদের। পরে সেই সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং আকারে ইঙ্গিতে দুজনের মধ্যেই দূরত্ব বাড়তে থাকে। এবার প্রকাশ্য মন্তব্যে সেই পুরনো টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেল, যা টলিপাড়ার আলোচনায় আরও এক নতুন অধ্যায় যোগ করল।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page