জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

শুভেন্দু অধিকারীই আসল ‘ধুরন্ধর!’ তাঁর জীবন চিত্রনাট্যের মতো, মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক সফলতার অনুপ্রেরণায় তাকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চান ঋষভ বসু!

মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী এবার বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নে পদার্পণ করেছেন। স্বপ্নপূরণ করলেন শ্যামাপ্রসাদের মতো নেতাদের কল্পনাকে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই মন্ত্রিসভার সঙ্গে প্রথম বৈঠকও সম্পন্ন করলেন তিনি। তার রাজনৈতিক যাত্রা একেবারেই চলচ্চিত্রের কাহিনীর মতো বলে মনে করছেন অভিনেতা ঋষভ বসু। তিনি শুভেন্দুকে ‘ধুরন্ধর’ হিসেবে সম্বোধন করে বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক সফলতা চোখে পড়ার মতো।

ঋষভের মতে, শুভেন্দুর রাজনৈতিক পথচলা একটি ‘আন্ডারডগ’ চরিত্রের গল্পের মতো। তৃণমূল থেকে শুরু করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করা এবং অবশেষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসা—সবকিছুই এক ধরনের নাটকীয় কাহিনী। অভিনেতা বলেন, “লাইফ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যন ফিকশন। এই ধরনের বাস্তব জীবনের গল্প সিনেমাতেও কম চমকপ্রদ নয়।” তিনি মনে করেন, শুভেন্দুর রাজনৈতিক উত্থান সত্যিই অনুপ্রেরণামূলক।

অভিনেতা এই মন্তব্যে কোনো রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দিক থেকে কারও পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে, তবে তাঁর মন্তব্য শুধুমাত্র শুভেন্দুর সফল রাজনৈতিক যাত্রার প্রশংসা। ঋষভ আরও বলেন, যদি তিনি কখনও প্রযোজক হন, তাহলে এই জার্নি নিয়ে অবশ্যই একটি সিনেমা তৈরি করবেন। তার মতে, এমন গল্প মানুষের মধ্যে প্রেরণা সৃষ্টি করে এবং দর্শকরা তা সহজে উপভোগ করতে পারেন।

ঋষভ আরও বলেছেন, টলিউডে কাজ করা প্রতিটি শিল্পী রাজনৈতিক প্রভাবের সংস্পর্শে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, তার নিজের সিনেমা ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইনার্স’ আগে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তিনি এক বছর আগে রাজনীতির কারণে নিজের কাজ পেতে কষ্টের কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি এই বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছেন না। তার প্রধান ইচ্ছা হল, ক্রীড়া বা সিনেমার জগতে রাজনীতি যতটা সম্ভব দূরে থাকুক।

এছাড়া ঋষভ বলেছেন, যারা আগে তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদেরও সমানভাবে সুযোগ দেওয়া উচিত। যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাই কাজ পেতে পারেন, এইটাই তাঁর কামনা। তিনি নতুন সরকারের প্রতি আশাবাদী, আশা করেন বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রের সবাই সুযোগের অভাবে পিছিয়ে না পড়বে। তাঁর মতে, প্রতিটি শিল্পী এবং ক্রীড়াবিদকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যাতে সবাই উন্নতির পথে এগোতে পারে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page