সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের কুরুচিকর মন্তব্যের শিকার হলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর নিজের কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেই ছবির নীচেই একাধিক আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেন কয়েকজন নেটিজেন। বিষয়টি নিয়ে চুপ না থেকে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী।
একজন নেটব্যবহারকারী শ্বেতাকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত অপমানজনক ভাষায় মন্তব্য করেন এবং তাঁর সাফল্য নিয়েও কটাক্ষ করেন। ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি তাঁর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এমন মন্তব্য দেখে ক্ষুব্ধ হলেও শ্বেতা সংযত ভাষায় জবাব দেন। তাঁর উত্তরে স্পষ্ট ছিল, অকারণ অপমান তিনি সহজে মেনে নেবেন না।
শুধু একজন নন, আরও কয়েকজন নেটিজেন অভিনেত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করতে থাকেন। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই শ্বেতা নিজের মতো করে উত্তর দেন। কোথাও ব্যঙ্গ, কোথাও আবার শান্ত ভাষায় তিনি বুঝিয়ে দেন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে হেনস্থা করা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর এই প্রতিক্রিয়া দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
ঘটনার পর শ্বেতার অনুরাগীরাও তাঁর পাশে দাঁড়ান। অনেকেই লেখেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এবং অভিনয় দক্ষতার জোরেই তিনি আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। তাই তাঁর সাফল্য নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করা বা ব্যক্তিগতভাবে অপমান করা একেবারেই অনুচিত বলে মত প্রকাশ করেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ “দেবপ্রিয়াকে নয়, দুলারী হিসেবে ঐন্দ্রিলাকেই চাই!” “নায়কের পাশে একেবারেই মানাচ্ছে না, কাস্টিং বদলান!” শুরু হতেই নায়িকা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে ‘দুলারী’, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব দর্শকদের একাংশ!
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনলাইন ট্রোলিং নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের মতে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও কাউকে অপমান করা বা অশালীন ভাষা ব্যবহার করার অধিকার কারও নেই। শ্বেতা ভট্টাচার্যের সংযত কিন্তু দৃঢ় জবাবও তাই অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
