গায়ক জুবিনের মৃত্যুর মামলায় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচার প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, সিদ্ধার্থর একটি ফার্ম দ্রুত বাজেয়াপ্ত করতে হবে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা অর্থের বড় অংশ জুবিনের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা হয়েছিল।
আদালত আরও জানিয়েছে, সিদ্ধার্থর নামে বা তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকা ছয়টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হবে। বিচারক শর্মিলা ভুঁইয়ার পর্যবেক্ষণ, তদন্তে জমা দেওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে তাঁর আয় ও খরচের মধ্যে বড় অসঙ্গতি রয়েছে। বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এসেছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যাও পাওয়া যায়নি।
তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, জুবিনের টাকা বেআইনিভাবে সরানো, অবৈধ লেনদেন এবং কালো টাকা সাদা করার মতো অভিযোগও উঠেছে। সিদ্ধার্থ নিজের, তাঁর পরিবারের সদস্যদের বা সংস্থার আয়ের বৈধ কাগজপত্র আদালতে দেখাতে পারেননি। আদালতের ৪৯ পাতার নির্দেশে একটি বড় বিনিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
জুবিনের নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালে গান গাওয়ার কথা ছিল। প্রথমে তাঁর মৃত্যুকে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা বলা হলেও পরে জানানো হয়, সাঁতার কাটতে গিয়ে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীও দাবি করেছিলেন, এই ঘটনায় খুনের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সবাইকে পিছনে ফেলে আবারও বেঙ্গল টপার ‘পরিণীতা’! নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারল না ‘পরশুরাম’, ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-এর জোরালো লড়াইয়ে কি বদলে যাবে আগামী দিনের শীর্ষ সমীকরণ? এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় কোন ধারাবাহিক কাকে টেক্কা দিল?
এই মামলার তদন্তে অসম পুলিশের সিআইডি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সাতজনের নাম রয়েছে। সিদ্ধার্থ ছাড়াও আয়োজক, ব্যান্ড সদস্য, নিরাপত্তারক্ষী এবং এক পুলিশ আধিকারিকের নামও রয়েছে অভিযুক্তদের তালিকায়। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।
