রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই নানা মন্তব্যকে ঘিরে আলোচনায় থাকেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার চুঁচুড়ায় বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগের ভারতমাতা পুজোয় হাজির হয়ে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। কেন তৃণমূল ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক সমীকরণে গিয়েছেন, সেই প্রশ্নেরও সরাসরি জবাব দিয়েছেন রচনা।
দলবদলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রচনা জানান, তৃণমূল সরকারে থাকলে তিনি দলেই থাকতেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল হেরে যাওয়ার পরও বাকি তিন বছর বসে থাকতে চাননি তিনি। এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতেই দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকা প্রয়োজন বলেই তিনি মনে করেন।
রচনা আরও বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট দলের হয়ে নয়, মানুষের জন্য কাজ করাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। তৃণমূল, বিজেপি বা সিপিএমের পরিচয়ের চেয়ে নিজের এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে পারাটাই তাঁর কাছে বড়। বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অল্প সময়ের মধ্যে ভালো কাজ করছেন বলেও মন্তব্য করেন হুগলির সাংসদ।
এদিন নিজের পুরনো ‘আরবানা’ মন্তব্য নিয়েও কথা বলেন রচনা। কলকাতার অভিজাত আবাসন আরবানায় থাকতে যোগ্যতা লাগে, এমন মন্তব্য করে আগে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। এবার রচনা জানান, পিছন ফিরে দেখলে ওই মন্তব্য না করাই ভালো হত বলে তাঁর মনে হয়। এক সাংসদের আক্রমণের জবাব দিতে গিয়েই তিনি এমন কথা বলেছিলেন বলে জানান রচনা।
আরও পড়ুনঃ বাড়ির রহস্যের কিনারা করতে অজানা উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ল ঝিনুক! কার কাছে গিয়ে ও কেন চাইল সাহায্য? বউকে বাড়িতে না পেয়ে রেগে আগুন সম্রাট, তার মধ্যেই হাজির শ্রীনিবাস-কমলা! ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্বেই ফাঁস এতদিনের গোপন সত্যি?
নিজের জীবন সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন রচনা। ছোট ফ্ল্যাটে থেকে বড় হয়ে আরবানার মতো জায়গায় মা-বাবাকে রাখার স্বপ্ন ছিল তাঁর। কঠিন পরিশ্রম করে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন বলেও জানান তিনি। দলবদল এবং আরবানা মন্তব্য নিয়ে রচনার এই বক্তব্যকে ঘিরে ফের একবার রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে আলোচনা।
