১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেম দিবসেই জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখতে চলেছেন দুই তারকা। বিয়ের আগের দিনেও যেন দম ফেলার সময় নেই তাঁদের। চারদিকে শুধু ব্যস্ততা আর প্রস্তুতির চাপ। তার মধ্যেই আবেগ আর উত্তেজনায় ভরা অপেক্ষা। গত কয়েক দিন অসুস্থতার জন্য বেশ ভুগতে হয়েছিল হবু বরকে। জ্বরের কারণে প্রায় বিছানায় শুয়েই কাটাতে হয়েছিল সময়। ফলে বিয়ের বহু প্রস্তুতিই থমকে ছিল। তবে শরীর একটু সামলে উঠতেই আবার শুরু হয়েছে জোরকদমে আয়োজন।
বিয়ের আগের সকালটা যেন আরও বেশি ব্যস্ততায় মোড়া। হাজারটা কাজ হাতে নিয়ে ছুটে বেড়াতে হচ্ছে দুজনকেই। বন্ধুদের সঙ্গে একটি এয়ার বিএনবি তে আপাতত থাকছেন তাঁরা। অন্যদিকে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন আলাদা ফ্ল্যাটে। আত্মীয়স্বজনদের আনাগোনা লেগেই আছে। মধ্যমগ্রামের বাড়ি থেকে সকালের পর থেকেই সবাই একে একে পৌঁছে যাচ্ছেন। এতসব আয়োজনের মাঝে সময় কীভাবে সামলাবেন, তা নিয়েই যেন একটু চিন্তিত হবু বর।
গত কয়েক দিনে ইন্ডাস্ট্রির অনেকের বাড়িতে আমন্ত্রণ রক্ষা করেছেন তাঁরা। আইবুড়োভাতের নিমন্ত্রণও ছিল একাধিক জায়গায়। যদিও বাড়ির অনুষ্ঠান আগেই সেরে নেওয়া হয়েছে। তবু রীতিনীতি মেনে বিয়ের আগের দিনও কিছু অনুষ্ঠান বাকি রয়েছে। হবু বরের আশীর্বাদের পালা এখনও সামনে। আর হবু কনে বিয়ের আগে শেষ আইবুড়োভাত খেয়ে নেবেন পরিবারের সঙ্গে বসে। প্রতিটি মুহূর্তেই যেন উৎসবের আবহ।
তবে এই বিয়েতে কিছুটা ভিন্নতা থাকছে। প্রচলিত নিয়মে হলদি বা মেহেন্দির অনুষ্ঠান হচ্ছে না। আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা, বিয়ে হবে সহজ আর ব্যক্তিগত পরিসরে। তবে সাজের ক্ষেত্রে কোনো কমতি নেই। বিশেষ করে হবু কনের হাতে ও পায়ে সুন্দর করে আলতা পরার পরিকল্পনা রয়েছে। ঐতিহ্যের ছোঁয়াতেই সাজবেন তিনি। সরল অথচ আবেগময় বিয়ের প্রস্তুতিতেই এখন মগ্ন দুই পরিবার।
আরও পড়ুনঃ “নতুনত্ব আনতে হবে, দূরত্বও সম্পর্ককে শক্ত করে, মাসে অন্তত একবার…” উত্তেজনা বাঁচাতে নতুন করে আবিষ্কার করা প্রয়োজন! প্রেম সতেজ রাখার কী টিপস দিলেন, দুই জনপ্রিয় নায়িকা ঋতুপর্ণা ও ভাগ্যশ্রী?
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই সাত পাকে বাঁধা পড়ে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করবেন এই তারকা জুটি। অসুস্থতা, ব্যস্ততা আর প্রস্তুতির ভিড়ের মাঝেও ভালোবাসার উচ্ছ্বাস একটুও কমেনি। বরং শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপেই যেন বিয়ের আনন্দ আরও বেড়ে উঠেছে। প্রেম দিবসে তাঁদের এই নতুন যাত্রা ঘিরে শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় ভরে উঠেছে অনুরাগীদের মন।
