জি বাংলার ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ (Chirodini Tumi Je Amar) ধারাবাহিকে আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, গাড়িতে করে বাড়ি ফেরার সময় আর্য অপর্ণাকে সবকিছু খুলে বলে, আগের রাতে যা কিছু ঘটেছে। অপর্ণা জানায় এখন সে সুস্থ আছে, যদিও ঠিক করে কিছুই মনে করতে পারছে না। কিন্তু মনে মনে আর্যর সঙ্গে যে মহিলাকে সে স্বপ্নে দেখেছে, সেটাই ভেবে চলেছে।
এদিকে আর্য আবার ভাবছে, অপর্ণা কেন তাঁর অতীতের কাছাকাছি গেলেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাহলে কি রাজনন্দিনীর সঙ্গে কোনও যোগ আছে তার? অন্যদিকে রাজলক্ষ্মী তাদের পুরোনো গৃহকর্মী গোপীকে জানিয়ে দেন, যদি বন্ধ ঘর নিয়ে বেশি কৌতূহল জাগে তাহলে যেন কাজ ছেড়ে দেয়। মাকে এত রেগে যেতে দেখে অর্ক জানতে চায় কী হয়েছে?

রাজলক্ষ্মী উদ্বিগ্ন হয়ে জানান, কাল রাত দিয়ে আর্যর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ হয়নি তার। এর ঠিক পরেই আর্য ফোন করে নিজের খবর দিলে তিনি শান্ত হন এবং অপর্ণার বাড়িতেও খবরটা পৌঁছে দেন। অবশেষে কলকাতা পৌঁছাতেই কিঙ্কর অপর্ণাকে জানতে চায়, কেন সে আর্যকে বিপদে ফেলেছিল! অপর্ণা জানায় সে আর্যকে কোথাও নিয়ে যায়নি, একাই গিয়েছিল।
কথায় গিয়েছিল জানতে চাইলে অপর্ণা বলে, আর্যকে ওই ব্যক্তিটি শঙ্কর নামে ডাকছিল এবং মাধবপুরের কথা বলছিল তাই খোঁজ করতে গিয়েছিল। কিঙ্কর রেগে গিয়ে বলে, যে লোকটা অপর্ণার জন্য এতকিছু করে আর তাকেই আজ সে সন্দেহ করছে! ঠিক এমন সময়ে ওই ব্যক্তি আবার এসে আর্যর পা ধরে ক্ষমা চেয়ে বলে, নিজের বন্ধুর সঙ্গে মুখের মিল থাকায় ভুল করে ফেলেছিল।
এরপর তাঁকে আড়ালে নিয়ে গিয়ে কিঙ্কর টাকা দিয়ে বলে অনেক দূরে চলে যেতে, যেন কেউ তার খোঁজ না পায়। আর যেন কোনদিনও আর্যকে ওই নামে না ডাকে, নাহলে মরতে হবে। এরপর অপর্ণাকে সাবধানে বাড়ি পৌঁছে দেয় আর্য। তারপরেই অফিসে ফিরে মীরা আর্যকে প্রশ্ন করে, অপর্ণা একজন সাধারণ কর্মচারী হয়ে কী করে তাঁর স্ত্রীর পরিচয় রাত কাটায়!
আরও পড়ুনঃ মন্দিরে আর্য-অপর্ণা পেল স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়, দেখা মাত্রই মীরা আর কিঙ্করের উদ্বেগ চরমে! সিংহ রায় বাড়িতে বাড়ছে বন্ধ ঘর নিয়ে কৌতূহল! রাধা মাধবের আশীর্বাদে বাঁধা পড়ল অপু-আর্য, কিন্তু বাড়ি ফিরতেই শুরু তীব্র অশান্তি!
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় আর্যর, সে উল্টে মীরাকে জানাতে চায় যে অপর্ণা না হয় তার কর্মচারী কিন্তু মীরা কোন অধিকারে প্রশ্ন করে! কিঙ্করের উপস্থিতিতেই আর্য স্পষ্ট করে দেয়, এইরকম প্রশ্ন যেন ভবিষ্যতে না করে কেউ কারণ উত্তর দিতে সে বাধ্য নয়। একদিকে অপর্ণা রুম্পার কাছে আর্যর সঙ্গে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা ভাগ করে খুশি হচ্ছে, অন্যদিকে কিঙ্কর প্রতিজ্ঞা করছে আর্য-অপর্ণাকে কোনদিনও এক হতে দেবে না!