জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ঋষির মা খুব রেগে যান, খেয়ার নাইট ক্লাবে নিউ ইয়ার উদযাপনের পরিকল্পনা জানতে পেরে। তিনি খেয়াকে বলেন যে, সে নিজের খেয়াল রাখতে পারে না। যখন তখন মাথার সমস্যা দেখা দেয়, আর এই অবস্থায় ঋষিকে ওখানে নিয়ে যাওয়ার কথা কী করে মাথায় আসলো!
এমন সময় ঋষির বোন এসে বলে যে খেয়ার এত সাহস নেই, বরং ওকে এইসব বুদ্ধি দিচ্ছে জ্যোতি। বলতে না বলতেই সেখানে ঋষি আর জ্যোতি এসে উপস্থিত হয়। ঋষির মা জ্যোতিকে বলেন যে ঋষির ট্রমা আছে জেনেও সে ওই জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে! তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, যার যেখানে ইচ্ছে গেলেও ঋষি কোথাও যাবে না। এইবলে তিনি নিজেকে ঘর-বন্দী করে রাখেন।
জ্যোতি গিয়ে ঋষির মাকে বোঝান যে ট্রমার থেকে পালিয়ে গেলেই তো সেটা আর কমবে না! বরং সামনাসামনি দাঁড়ালেই জিনিসটা কমে যাবে। সারা জীবন সংযত হয়ে বাঁচার থেকে একেবারে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে বাঁচার জন্যই ঋষিকে ওই জায়গায় আবার যেতে হবে। অনেক বোঝানোর পর, অবশেষে ঋষির মা রাজী হন। জ্যোতির দিদিকে নিমন্ত্রণ করার অনুরোধ করেন তিনি।
ওদিকে শঙ্খ ও মেসো মিলে আলোচনা করতে থাকে, তাদের যে বিল্ডিং তৈরির কাজ চলছে অনেকদিন থেকে। যার জন্য হরিপ্রসাদকে টাকা না দিয়ে, সেই টাকা নিজেরা নিয়েছিল। সেই টাকা ফুরাতেই তাদের আবার টাকার প্রয়োজন। কিন্তু ঋষির সামনে দিয়ে টাকা নেওয়া যাবে না। শঙ্খ আবার নাইট ক্লাবে উদযাপনের পরিকল্পনাটাও জানায় আর তাতে মেসোর আরও বেশি চিন্তা শুরু হয়।
ঋষির ট্রমা আর মিথ্যে মামলায় ফেঁসে যাওয়ার থেকে বাঁচাতে যে কোটি টাকা পুলিশকে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল, তার থেকে বেশিরভাগ টাকা মেসোরা নিয়েছিল। এবার যদি জ্যোতির জন্য ঋষি ভালো হয়ে যায়, তাহলে তো আর বোকা বানানো যাবে না ঋষিকে! তড়িঘড়ি করে তিনি বাড়ি গিয়ে সবাইকে বোঝাতে থাকে যেন জ্যোতির শুনে ঋষিকে ওখানে নিয়ে না যাওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ “একটা ছবি হিট হলেই লাফালাফি করি না, পরের কাজের জন্য নিজেকে তৈরি করি! সাফল্যে ভেসে যাওয়া আমার স্বভাব নয়”—তাহলে কি সাফল্যের উচ্ছ্বাসে ভাসতে নারাজ কোয়েল মল্লিক? পুজো হিট স্বার্থপর আর রহস্যে মোড়া মিতিন-এর ধারাবাহিক সাফল্যের মাঝেও কেন এমন মন্তব্যে নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত টলি কুইনের?
এদিকে ভানু, বছরের শেষদিনে পার্টি করতে চায়। কিন্তু নিশা তাকে জানায় যে ওইদিন শহরের একটা নামকরা ক্লাবে রাত তিনটে থেকে সকাল নয়টার মধ্যে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়। একটা ক্যাসিনো আছে, যেখানে নামিদামি লোকেরা বছরের শেষ উদযাপন করতে আসে। সেই ক্লাবের লকারে অনেক নিরাপত্তার মধ্যে টাকাগুলো রাখা হয়। আগে অনেকে ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে, তবে এবার নেশা চেষ্টা করতে চায়!
