সন্তানের বেড়ে ওঠার প্রতিটি মুহূর্ত বাবা মায়ের কাছে অমূল্য। প্রথম হাসি, প্রথম শব্দ, প্রথম কোনও কিছুকে চিনে নেওয়া সবটাই যেন হৃদয়ের গভীরে গেঁথে থাকে। ঠিক তেমনই এক আবেগঘন মুহূর্ত ধরা পড়েছে অনিন্দিতার সংসারে। বাবার কোলে বসে ছোট্ট তিষ্যা যখন ছবির বইয়ের পাতায় গরু, কুকুর, বাঘ চিনছে, সেই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ সকলেই।
নতুন বছর শুরু হতেই মেয়ের মুখ প্রথমবার প্রকাশ্যে আনেন অনিন্দিতা। যদিও এর আগেই পয়লা বৈশাখে তিনি জানিয়েছিলেন মেয়ের নাম। এবার মেয়েকে সামনে এনে অনুরাগীদের ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তিনি। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন ছোট্ট তিষ্যা দেখতে একেবারে বাবার মতো। আদুরে মুখ আর নিষ্পাপ চোখে মন কেড়ে নিয়েছে নেটপাড়ার।
শীতের দুপুরে পরিবারের সঙ্গে কাটানো এক মিষ্টি মুহূর্ত অনিন্দিতা ভাগ করে নিয়েছেন সমাজ মাধ্যমে। ছবিতে দেখা যায় বাবার পাশে বসে রঙিন ছবির বই উল্টে দেখছে তিষ্যা। পশু পাখির ছবি দেখে আনন্দে হাত নাড়ছে সে। এমন শান্ত দুপুর আর শিশুর সরল কৌতূহল যে কারও মন ভালো করে দিতে বাধ্য।
ছবির সঙ্গে অনিন্দিতা লিখেছেন আবেগঘন কিছু কথা। তিনি জানান বইয়ের পাতায় আছে গিনি দিদি, হালুম দাদা, জানুয়ারি দাদা, গোল্ডি দিদি সহ পরিচিত অনেক সারমেয়। আছে পাড়ার হোয়াইটি আর তার সঙ্গীরাও। ভিনি দিদির কথাও রয়েছে, যে এখন আর এই পৃথিবীতে নেই কিন্তু আকাশ থেকে ছোট্ট তিষ্যাকে রক্ষা করছে।
আরও পড়ুনঃ “হাফ প্যান্ট পরে বিয়ে করতে আসবে সুকান্ত…” অনন্যা গুহর ভ্লগার স্বামী, নিজের বিয়ের পোশাক নিয়েই করবেন এক্সপেরিমেন্ট? বিয়ের কদিন আগেই আচমকাই এ কোন ইঙ্গিত দিলেন অভিনেত্রী?
এই লেখার মধ্য দিয়েই স্পষ্ট অনিন্দিতার পশুপ্রেম আর সন্তানের মধ্যে সেই মূল্যবোধ গড়ে তোলার চেষ্টা। উল্লেখ্য, দুই হাজার বাইশ সালের ছাব্বিশে জানুয়ারি অনিন্দিতা ও সুদীপের বিয়ে হয়। তিন বছর পর তাঁদের জীবনে আসে প্রথম সন্তান। এখন কাজ আর মাতৃত্ব দুটোকেই সমান দক্ষতায় সামলাচ্ছেন এই দম্পতি।
