জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে বিগত পর্বে দেখা গেছে, অফিসে যে দুজন কর্মী আত্মহত্যা করেছিলেন, তাদের একজনের বাড়িতে তদন্তে যায় পারুল। সেখানে ওই কর্মীর স্ত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মৃত্যুর আগে তিনি অফিসের চুরি সংক্রান্ত বড় কোনো তথ্য ফাঁস করতে চেয়েছিলেন, যা আর সম্ভব হয়নি। পারুল ও রায়ান ওই ব্যক্তির মেডিকেল ফাইল এবং প্রেসক্রিপশন পরীক্ষা করে একটি বড় অসংগতি খুঁজে পায়— অফিসের ইন্স্যুরেন্স তালিকায় থাকা হাসপাতালের বদলে তাকে অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছিল।

এই রহস্যের জট খুলতে তারা সেই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়, যিনি এর আগে রায়ান ও তার দাদুর সফল অপারেশন করেছিলেন। ডাক্তারবাবুর সাথে পারুলদের সুসম্পর্ক থাকায় তিনি প্রেসক্রিপশন দেখে অবাক হন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, ওই রোগীর চিকিৎসা তিনি শেষ করেননি; রোগী সুস্থ হওয়ার আগেই রহস্যজনকভাবে তাকে অন্য পেশেন্টের দায়িত্ব দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই তথ্য পারুলদের নিশ্চিত করে যে, পুরো বিষয়টির পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে।
সত সত্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে পারুল এক অভিনব পরিকল্পনা করে। সে মৃত কর্মীর পরিবারকে ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দেয়। মামলার খবর পৌঁছাতেই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। যেহেতু এই অসাধু কাজের পেছনে সংযুক্তার হাত ছিল, তাই তারা তড়িঘড়ি তার সাহায্য চাইতে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে পারুল ও রায়ান সেখানে উপস্থিত হয়ে সংযুক্তাকে ভয় দেখায়। নিজেকে বাঁচাতে সংযুক্তা তখন বাধ্য হয়ে নিজের লোকেদের দিক থেকেই মুখ ফিরিয়ে নেয়, যা আদতে পারুলদেরই জয়।
আরও পড়ুনঃ জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকূলে’ চোখের জলে ভেসেছিল ১৮ বছরের অরিজিৎ সিংয়ের স্বপ্ন! সারা ভারতবর্ষের সামনে অপদস্থ হয়েছিলেন তিনি! কী ঘটেছিল সেদিন?
এই পরিস্থিতিতে অনিরুদ্ধর সাথে মিলে পারুল নতুন কোনো চাল চালার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে, অনিরুদ্ধ সংযুক্তাকে সাফ জানিয়ে দেয় যে সে তার সাথে মুম্বাই যাবে না। অনিরুদ্ধর এই আচরণ দেখে রায়ান মনে মনে ভাবতে শুরু করে যে, হয়তো পারুলের প্রতি ভালোবাসার টানেই অনিরুদ্ধ এসব করছে। পরবর্তী পর্বে কী ঘটতে চলেছে? রায়ান কি তার ভুল বুঝতে পারবে, নাকি পারুল আর অনিরুদ্ধর এই জোট রায়ানের মনে নতুন কোনো সন্দেহের দানা বাঁধবে? তা জানতে চোখ রাখতে হবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বগুলোতে।
