দেখতে দেখতে এক বছর পূর্ণ করল শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসের দাম্পত্য জীবন। গত বছরের উনিশে জানুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন এই জনপ্রিয় তারকা জুটি। ব্যস্ত শুটিংয়ের মাঝেও সংসার সামলাতে তাঁদের আন্তরিকতা অনুরাগীদের চোখে পড়ার মতো। প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে তাই ছিল বিশেষ আয়োজন। ঘরোয়া কেক কাটার পর সন্ধ্যায় বন্ধু ও কাছের মানুষদের নিয়ে জমজমাট উদযাপনে মেতে ওঠেন তাঁরা।
এই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল বাহারি মেনু। স্টার্টারে পরিবেশিত হয় চিকেন মালাই কাবাব, চিকেন হরিয়ালি কাবাব, পনীর সাসলিক, কফি, রঙিন মকটেল ও বেবি কর্ণ। অতিথিদের জন্য আলাদা করে ছিল ভাপা পিঠের স্টল। মূল খাবারে জায়গা পায় ডায়মন্ড ফিশ ফ্রাই, স্যালাড, কাসুন্দি, রুমালি রুটি, ডাল মাখানি, চিকেন বিরিয়ানি, মাটন কষা, ড্রাই ফ্রুট চাটনি, পাঁপড় এবং শেষে রসোগোল্লা, সন্দেশ ও পান।
খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি সাজেও নজর কাড়েন দুজন। শ্বেতা পরেছিলেন লাল রঙের গাউন ও মানানসই ঝোলা কানের দুল। রুবেল বেছে নেন সাদা শার্টের সঙ্গে ধূসর ব্লেজার ও টাউজার। ভেনুতে তাঁদের গ্র্যান্ড এন্ট্রি হয় গানের তালে রেড কার্পেট দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে। তিন স্তরের কেক কেটে মুহূর্তটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলেন এই তারকা দম্পতি।
মজার বিষয় হল বর্তমানে রুবেলকে দেখা যাচ্ছে তুই আমার হিরো ধারাবাহিকে। সেই নামের মিল রেখেই দেবের জনপ্রিয় গানে একসঙ্গে নাচতে দেখা যায় তাঁদের। এই দৃশ্য দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস তৈরি করে। অনুষ্ঠানের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে শ্বেতা ভালোবাসা ভরা বার্তায় জানান এক বছর কীভাবে চোখের পলকে কেটে গেছে এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে হাত ধরে পথ চলার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুনঃ ‘টলিউডের অন্দরের মন কষাকষি প্রকাশ্যে আনাটা কি খুব জরুরি?’ প্রশ্ন তুললেন ‘নিকষছায়া’র ‘অমিয়’! কেন এমন বললেন তিনি?
শ্বেতার লেখা আবেগঘন কথাগুলো অনুরাগীদের মন ছুঁয়ে যায়। তিনি জানান জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত স্বামীর হাত শক্ত করে ধরে রাখতে চান এবং সিঁথিতে সিঁদুর নিয়ে শেষ যাত্রায় যেতে চান। রুবেলকে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ বলেও উল্লেখ করেন। ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও আনন্দে ভরা এই বিবাহবার্ষিকী তাঁদের সম্পর্কের গভীরতাকেই আরও একবার তুলে ধরল।
