জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ঋষির অফিসে বাড়ির সবাইকে নিয়ে কারচুপির প্রমাণ খুঁজতে হাজির হয় উজি ওরফে জ্যোতি। সেখানে গিয়েই একের পর এক প্রমাণ সবার সামনে তুলে ধরে সে, কিন্তু শঙ্খ আর দূর্জয় কিছুতেই সেগুলো মানতে চায় না। এমন সময় প্রবাল সেখানে উপস্থিত হলে, উজি তাঁকে কিছু কাগজ দেখতে দেয়। যার মধ্যে এমন পাঁচটা লেনদেনের কাগজ রয়েছে যেখানে ঋষির স্বাক্ষর রয়েছে।
উজি বলে ওই স্বাক্ষরগুলো মিথ্যে বা নকল। কারণ, যেই যেই সময় ওই লেনদেন হয়েছে, তখন হয় ব্যক্তিগত বা পেশাগত কাজে ঋষি কলকাতার বাইরে ছিল। উজি কাকামণিকে অনুরোধ করে যে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ওই স্বাক্ষরের পরীক্ষা করাতে যাতে ধরা পড়ে কে করেছে। অন্যদিকে ঋষি খুঁজতে খুঁজতে সেই কনস্ট্রাকশনের জায়গায় পৌঁছে যায়, যেখানে তাদের কোম্পানির সরিয়ে আনা জিনিস সাপ্লাই করা হয়।
কর্মচারীদের থেকে মালিকের ব্যাপারে কোনও তথ্য না পেয়ে, লুকিয়ে ফ্ল্যাটের উপরের ঘরে ঢুকে যায় ঋষি। সেখানে একটা টেবিলে বেশকিছু কাগজ এবং ফাইল পড়ে থাকতে দেখে, ঋষি সেগুলো খতিয়ে দেখতে থাকে। এমন সময় দুজন ছেলে এসে ঋষিকে ওই ফাইলগুলো রেখে দিতে বলে, যার প্রতিবাদে ঋষি রুখে দাঁড়াতেই তারা পাল্টা মারতে আসে। ঋষিও তাদের যথা সম্ভব প্রতিহত করে। মাথায় আঘাত পেয়ে র’ক্তপাত হলেও, কোনও রকমের একটা ফাইল নিয়ে সেখান থেকে পালিতে যেতে সক্ষম হয়।
মাঝ রাস্তায় উজির সঙ্গে দেখা হয় ঋষির। ঋষির মাথায় র’ক্ত দেখে উজি জানতে চায় কী হয়েছে? ঋষি তখন জানায় যে ওই কনস্ট্রাকশন সাইট থেকে একটা ফাইল সে নিয়ে এসেছে, যেখানে লেখা ওটার মালিক নাকি শঙ্খ আর দূর্জয়! এদিকে ব্যানার্জি বাড়িতে হঠাৎ জ্যোতির দিদি বিভাকে দেখে সবাই একটু অবাক হয়ে, ততক্ষণে সেখানে অফিসার জিৎ বসু উপস্থিত হন। নিশা ওরফে বিভা জিতের আসার কারণ জানতে চাইলে সে বলে, জ্যোতি আসতে বলেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে বলে।
আরও পড়ুনঃ “একে কে পুরস্কার দিল… যোগ্যতা কী?” অ্যাওয়ার্ড মঞ্চে অপমানের স্মৃতি আজও তাড়া করে ফেরে! ১৭ বছর পর অলকা ইয়াগ্নিকের মন্তব্যে মুখ খুললেন কৃষ্ণ বেউরা!
এরই মধ্যে নিশার পাঠানো লোকেরা তাদের কাজ করে একটা ভিডিও পাঠায়, তারপর সেই ভিডিও সে ছড়িয়ে দেয় সবাইকে ঋষির বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে! ঋষির বাবার কাছেও সেই ভিডিও আর খবর আসে যে তাদের তৈরি বিল্ডিংয়ের একাংশ ভেঙে পড়েছে আর অনেকে চাপাও পড়েছে! এই খবরে সবাই অস্থির হয়ে ওঠে, এমনকি ঋষিও। তারপর বাড়ি ফিরে ঋষি-জ্যোতি জিতের হাতে সব কাগজ তুলে দেয়, যাতে প্রমাণ হয় যে কোম্পানির হিসেবে গোলমাল থেকে বিল্ডিং ভেঙে পড়ার পেছনে শঙ্খ আর দূর্জয়ের হাত!
